Instructions

Thursday, 17 March 2016

Diseases

পটেটো চিপস বহন করছে ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ি উপাদান!

 

পটেটো চিপস, ৭০ এর দশক থেকে চানাচুরের চেয়েও স্ন্যাকস হিসেবে চিপস তথা পটেটো কেকার্স এর নাম বিস্তার চোখে পড়ার মতো। আজকাল এ খাবার শুধু সন্ধ্যার নাস্তা বা ফাস্টফুড হিসেবে নয় সকাল বা দুপুরের প্রধান খাবারের পাশে দম্ভের সাথে স্থান করে নিয়েছে।


আপনি যে কোন স্কুল, কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়ের ব্যাগ হাতড়ে কোন না কোন ব্রান্ডের চিপসের প্যাকেট পাবেন। শুধু বাচ্চারা কেন কাজের ফাঁকে কিংবা চায়ের ব্রেকে বিস্কুট রুটিকে ঠেলে ফেলে দিয়ে ঈষৎ ঝাল, ঈষৎ টক এবং শর্করা সমৃদ্ধ তেলে ভাজা কুড়কুড়ে চিপস কার না পছন্দ।
কিন্তু আমরা কি জানি যে এই মজার স্ন্যাকসই বহন করছে ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ি উপাদান, যার নাম এক্রাইলামাইড বা এক্রিলামাইড(Acryl amide)?
এক্রাইলামাইড প্রাকৃতিক ভাবে সংগঠিত এমন এক প্রকার রাসায়নিক যৌগ বিশেষ যা উচ্চক্ষম শর্করা বহনকারী শস্য বা সবজিতে থাকে এবং নিদিষ্ট্র বা উচ্চতাপ না ত্রায় উত্তপ্ত হলে সেই যৌগ গঠনে সক্ষম হয়। সম্প্রতি সুইডিস ন্যাশনাল ফুড অথোরিটি এই বাস্তব সত্যটা আবিষ্কার করেছে।
তাদের মতে লক্ষ কোটি বছর আগে মানুষ যেদিন থেকে পুড়িয়ে বা রান্না করে খাবার গ্রহণ করার অভ্যাস করে আসছে তখন থেকেই এই যৌগতার সম্মিলিত মহা ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে মানব দেহে।
মানুষের আয়ু কমানোর জন্য এ যৌগ যেমন বিশেষ ভুমিকা রাখে তেমনি এর গঠন তন্ত্র ক্যান্সারের কোষকে দ্রুত বাড়তে প্রলুব্ধ করে এবং ক্যান্সার জীবানু সংক্রমনতা বাড়াতে সক্ষম হয়।
আলু এক প্রকার উচ্চ শ্বেতসার সমৃদ্ধ সবজি বা শস্য। এই আলুর অতি পাতলা করা স্লাইস অতিরিক্ত লবন, ডুব তেলে অনেকক্ষন ভাজাসহ সংরক্ষন কর্তে উচ্চতাপ ব্যবহার করার ফলে এর খাদ্যগুণ অনেকাংশে শুধু নষ্টই হয় না, এক্রাইলামাইড জাতীয় জটিল জীবননাশক যৌগ উৎপাদনে বিশেষ ভুমিকা রাখে। ভারতের একদল পুষ্টিবিদও এক গবেষণায় এ তথ্য পেয়েছেন।
একবারও কি ভেবে দেখেছি আমরা প্রিয় সন্তানকে মাসে কত প্যাকেট চিপস খাওয়াচ্ছি? হিসেবটা করে বের করতে যত দেরি হবে তার চেয়েও দ্রুতগতিতে এক্রাইলামাইড মানবদেহে ক্যান্সারের বাসা বাঁধতে সহযোগিতা করে।
তবে পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় খাদ্যগুনাগুন বজায় রেখে চিপস তৈরি করা সম্ভব। প্রস্তুতকারকদের সদিচ্ছা আর সুসংহত খাদ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়ন্ত্রনে তা বাস্তবে রূপ দেয়া সম্ভব। তবে সব চেয়ে ভালো হয় শিশুদের বাইরের খাবারে অভ্যস্ত না করে, ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে উৎসাহ দেওয়া।

Health+Beauty

শীতকালে শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

 

আমাদের ত্বকের তৈলাক্ত উপাদান শীতকালে জমাট বেধে যাওয়ার কারনে তখন ত্বক বেশ শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। তাই অন্যসময়ের চেয়ে শীতকালেই ত্বকের যত্ন নেয়া একটু বেশি প্রয়োজন হয়।
তাই ত্বক শুষ্ক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার আগেই চেষ্টা থাকতে হবে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে। বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমেই পারেন ত্বককে পুনর্গঠিত করে ত্বকের কোলাজেনের মাত্রা উন্নত করতে।
  • শীতকালে যেহেতু পিপাসা কম থাকে তাই অনেকেই পানি কম খান। যার ফলে শরীর খুব শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রচুর পানি খেতে হবে এবং ঘরে তৈরি করে ফল ও সবজির জুস খেতে হবে।
  • ত্বকে অলিভ অয়েল মাখতে পারেন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে। এছাড়া ত্বকের টান টান ভাব কমাতে গোসলের আগে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।
  • তবে অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল বা অন্য যে কোনো তেল ব্যবহারের আগে দেখে নেবেন সেই তেল আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা। অর্থাৎ ত্বকে কোনো ধরনের সমস্যা করছে কিনা। কারন দেখা যায় একেক জনের ত্বকের ক্ষেত্রে একেক ধরনের তেল ভাল কাজ করে।তবে যাদের ক্ষেত্রে নারিকেল তেল বা অলিভে ওয়েল ত্বকে সমস্যার সৃষ্টি করে তাদের জন্য অ্যাভোকাডো, প্রিমরোজ বা কাঠবাদামের তেল ভাল।
  • শীতকাল ত্বকের শুষ্কতা ও পায়ের ফাটা দূর করতে পেট্রোলিয়াম জেলি অতুলনীয়।
  • শীতকালে ত্বক পরিস্কারে ক্ষার যুক্ত সাবান ব্যবহার না করে খুব ভাল হয় যদি বেসন ও টক দই মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি সাবান ব্যবহার করতেই হয় তবে প্রাকৃতিক তেল এবং গ্লিসারিন সমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করুন।
  • শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে এই অভ্যাসটি যদি থাকে বাদ দিতে হবে। গোসল করতে হবে কুসুম গরম পানিতে এবং এর সাথে সামান্য গ্লিসারিন বা কোন ভেষজ তেল যেমন টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিলে ত্বকের হারানো আর্দ্রতা ফিরে পাবে।
  • ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে কোল্ড ক্রিম এবং তৈলাক্ত ময়েশ্চেরাইজার ব্যবহার করুন। কোল্ড ক্রিমের ক্ষেত্রে তৈলাক্ত ক্রিম বেছে নিন এবং লোশনের ক্ষেত্রে বেছে নিন গ্লিসারিন যুক্ত লোশন।
  • ত্বকের টোনারের জন্য এসেনশিয়াল অয়েল সমৃদ্ধ এবং ত্বক পুনর্গঠনের উপাদান ভিটামিন ই যুক্ত টোনার ব্যবহার করুন। তবে ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে এগুলো ব্যবহার না করলেও চলবে।
  • মেনিকিউর এবং পেডিকিউর করার সময় কুসুম গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা প্রাকৃতিক তেল মিশিয়ে নিন।
  • হাত পা এর শুষ্কতা, চুলকানি এবং পায়ের গোড়ালী ফাটার প্রতিরোধে সুতির মোজা ব্যবহার করুন। খুব বেশি যদি কারো পা ফাটে তাহলে লোশন বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করতে পারে। আর যদি অত্যাধিক খারাপ অবস্থা হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করুন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে।
  • ফেসিয়াল প্যাক বা মাস্ক শীতকালে যা ব্যবহার করবেন সেগুলো অবশ্যই প্রাকৃতিক তেল সমৃদ্ধ হতে হবে। মুলতানি মাটির প্যাক শীতকালে লাগানো বন্ধ রাখুন।
  • টক দই বা সাওয়ার ক্রিম বা দুধের তৈলাক্ত স্তরের অংশ অল্প পরিমানে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে তা ত্বকের কোলাজেনকে কার্যকর করতে সাহায্য করে।
  • ঠোঁটের শুষ্কতা এবং ফাটা দূর করতে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ লিপজেল ব্যবহার করুন।
  • শীতকালের ত্বক ভাল রাখার একটি সাধারণ টিপস হচ্ছে পানির সংস্পর্শে কম থাকা। ধোয়া মোছা বা গোসলের পর পরই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাত, পা, শরীর মুছে শুকিয়ে লোশন মেখে ফেলতে হবে। আর যদি পানির কাজ বেশি করতেই হয় চেষ্টা করুন গ্লাভস ব্যবহার করতে।
  • অনেকে শীতকালে সানস্ক্রীণ লোশন ব্যবহার করেন না কিন্তু শীতকালে একটু বেশি ময়েশ্চেরাইজার যুক্ত সানস্ক্রীণ লোশন ব্যবহার করা উচিত।
    লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Health+Beauty

কীভাবে বুঝবেন আপনি যৌনরোগ ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রান্ত! ক্ল্যামিডিয়ার লক্ষণ ও প্রতীকার জেনে নিন

 

যেহেতু যৌনসংক্রমণের বিষয়ে আমাদের দেশের মানুষের সচেতনা ও জ্ঞান নেহাতই কম, তাই অনেক যৌনরোগ সম্পর্কেই তাদের পরিষ্কার ধারণা নেই। সেই অজ্ঞতার কারণেই কিন্তু রোগ নির্মুল করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অনেকেই মনে করেন এইচআইভি-ই একমাত্র যৌনরোগ।

Health+Beauty

কীভাবে বুঝবেন আপনি যৌনরোগ ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রান্ত! ক্ল্যামিডিয়ার লক্ষণ ও প্রতীকার জেনে নিন

 

যেহেতু যৌনসংক্রমণের বিষয়ে আমাদের দেশের মানুষের সচেতনা ও জ্ঞান নেহাতই কম, তাই অনেক যৌনরোগ সম্পর্কেই তাদের পরিষ্কার ধারণা নেই। সেই অজ্ঞতার কারণেই কিন্তু রোগ নির্মুল করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। অনেকেই মনে করেন এইচআইভি-ই একমাত্র যৌনরোগ।

কিন্তু না, আরও আছে। যেমন, ক্ল্যামিডিয়া (Chlamydia)। চলুন জেনে নিই ক্ল্যামিডিয়া কী ও কী তার উপসর্গ। সঙ্গীর শরীরে ক্ল্যামিডিয়া বাসা বেঁধেছে কি না সেটাও যেভাবে বোঝা যাবে –

ক্ল্যামিডিয়া কী ?

মূলত জীবাণু। যৌনমিলনের কারণে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। মার্কিন দেশগুলিতে অনেক মানুষ এতে আক্রান্ত। সেখানে প্রতিবছরই ৩০ লক্ষ নারীপুরুষ ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে অন্য দেশেও ছড়াচ্ছে ক্ল্যামিডিয়া। ২৫ বছরের নীচে যারা, তারাই আক্রান্ত হয় বেশি।

কীভাবে বুঝবেন সঙ্গীর ক্ল্যামিডিয়া আছে কিনা?

মূলত মহিলারাই ক্ল্যামিডিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে ৭০-৯৫ শতাংশ মহিলার মধ্যে ক্ল্যামিডিয়ার কোনও উপসর্গ লক্ষ্য করা যায় না। পুরুষদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সত্যি বলতে কী, ক্ল্যামিডিয়ার তেমন কোনও উপসর্গই নেই। সংক্রমণের ৫-১০ দিনের মধ্যে বোঝাই যায় না শরীরে এর জীবাণু প্রবেশ করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছু কিছু লক্ষণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
সঙ্গী মহিলা হলে কীভাবে বুঝবেন সে ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রান্ত-
১. তলপেটে ব্যথা হতে পারে। তবে তলপেটে অনেক কারণেই ব্যথা হয়। পিরিয়েডস্, শরীর কষে গেলে, ইউরিন ইনফেকশন হলেও তলপেটের ব্যথায় ভোগে মহিলারা। সুতরাং, তলপেটে ব্যথা থেকে স্রেফ রোগ অনুমাণ করতে পারেন। নিশ্চিত হওয়ার কোনও জায়গা নেই। ফলে আরও কিছু উপসর্গ জানা দরকার।

ক্ল্যামিডিয়া রোগে আক্রান্ত কিছু ছবি
২. যৌনাঙ্গের হলুদ বা সবজে নির্গমন।
৩. পিরিয়েডসের সঙ্গেই যদি পরিস্রুত রক্ত বেরিয়ে আসে।
৪. হালকা জ্বর জ্বর ভাব।
৫. প্রস্রাবের সময় যৌনাঙ্গে অসহ্য যন্ত্রণা।
৬. যৌনাঙ্গের একেবারে ভিতরে ফুলে যাওয়া।
৭. মলদ্বারে ফোলা ভাব।
৮. বারবার প্রস্রাব হওয়ার প্রবণতা তৈরি হওয়া।
৯. প্রত্যেকবার মিলিত হলেই যৌনাঙ্গের রক্তপাত।
১০. গলা দিয়ে তীব্র গন্ধযুক্ত হলদেটে তরল বেরনো।
সঙ্গী পুরুষ হলে কীভাবে বুঝবেন সে ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রান্ত –
১. প্রস্রাবের সময় পুরুষাঙ্গে যন্ত্রণা।
২. পুরুষাঙ্গ থেকে পুঁজ বেরনো।
৩. টেস্টিকলস্ বা শুক্রাণু ফুলে যাওয়া।
৪. মলদ্বার ফুলে যাওয়া।
পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে কিছু কমন উপসর্গ আছে। সেগুলি কী কী জেনে নিন-
১. আগেই বলেছি, মলদ্বার ফুলে যায়। সেই সঙ্গে চুলকুনি ও রক্তপাত হতে পারে। ডায়ারিয়াও হয় কোনও কোনও ক্ষেত্রে।
২. ক্ল্যামিডিয়া চোখেও আক্রমণ করতে পারে। চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। চুলকাতে পারে। চোখ থেকে জল ঝরতে পারে।
৩. গলায় যন্ত্রণা হতে পারে।

কিভাবে ছড়ায়?

ক্ল্যামিডিয়া ছড়ানোর প্রধান রাস্তা হল অনিরাপদ যৌনমিলনের মাধ্যমে, তা সে যেই পদ্ধতিতে এবং যে রাস্তাতেই যৌনমিলন করা হোক না কেন। অনেক সময় যৌনাঙ্গ ক্ল্যামিডিয়া আক্রান্ত কারো যৌনাঙ্গের সংস্পর্শে আসলেও ক্ল্যামিডিয়া ছড়াতে পারে। এমনকি ক্ল্যামিডিয়া যৌনকার্যে ব্যবহৃত বস্তু দ্বারাও ছড়াতে পারে একজন থেকে আরেকজনে।

চিকিৎসা:

এটা জেনে নিশ্চিন্ত হবেন, যে ক্ল্যামিডিয়া সহজেই নির্মুল করা যায়। নিয়ম করে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত অ্যান্টিবায়ওটিকও খেতে হবে। ক্ল্যামিডিয়া একদিনেও সারতে পারে। আবার ৭দিনও লেগে যেতে পারে।
১. চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়ম করে খেয়ে যেতে হবে। উপসর্গ চলে যাওয়ার পরও কিন্তু শরীরে থেকে যেতে পারে রোগের জীবাণু। ফলে যতদিন না জীবাণুরা ধ্বংস হচ্ছে, ওষুধ বন্ধ করা চলবে না।
২. সঙ্গীর সঙ্গে যৌনমিলনের করার আগে ফের পরীক্ষা করিয়ে নিন। নিশ্চিত হয়ে নিন সংক্রমণ পুরোপুরি চলে গেছে কিনা।
৩. নিজের ওষুধ অন্য কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করে খাওয়া ঠিক হবে না।
৪. প্রতি ৩ মাস অন্তর পরীক্ষা করাতে হবে।

প্রতিকার

সঙ্গী যদি ক্ল্যামিডিয়ায় আক্রন্ত হয় সে পুরোপুরি সেরে না যাওয়া পর্যন্ত যৌনমিলন স্থগিত রাখুন। না হলে তার থেকে আপনার শরীরেও ছড়াবে ক্ল্যামিডিয়ার জীবাণু। কন্ডোম ব্যবহার করতে পারেন। মহিলাদের জন্যেও বিশেষ ধরনের কন্ডোম পাওয়া যায়। মিলনের সময় সেটিও ব্যবহার করতে পারেন।

Health+Beauty

প্রস্রাবের ইনফেকশনের কারণসমূহ!

 

শরীরের তরল বর্জ্য বের করে দিয়ে বিভিন্ন উপাদান ও লবণের স্বাস্থ্যকর সমতা বজায় রাখাই হলো মূত্রতন্ত্রের কাজ। এছাড়া রক্তের লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্যকারী হরমোন উৎপাদন করা।
শরীরের তরল বর্জ্য বের করে দিয়ে বিভিন্ন উপাদান ও লবণের স্বাস্থ্যকর সমতা বজায় রাখাই হলো মূত্রতন্ত্রের কাজ। এছাড়া রক্তের লোহিত কণিকা তৈরিতে সাহায্যকারী হরমোন উৎপাদন করা।
প্রস্রাবের প্রবাহ ইনফেকশনকে ধুয়ে বের করে দেয়ার মাধ্যমে প্রোস্টেট গ্রন্থিও রস উৎপাদন করে, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি মন্থর করে।
স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব জীবাণুমুক্ত থাকবে, তবে বিশেষ কিছু অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সচরাচর ই.কলাই নামক জীবাণু যা অন্ত্রে বাস করে, তা মূত্রনালিতে ঢুকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ ঘটায়। একে ইউরেথ্রাইটিস বা মূত্রনালির প্রদাহ বলে।
এ ইনফেকশন মূত্রথলি থেকে কিডনিতেও ছড়াতে পারে। একে বলে পাইলো নেফ্রাইটিস।
  •  ক্ল্যামাইডিয়া এবং মাইক্রোপ্লাজমা নামক ক্ষুদ্র জীবাণু দুটি যৌন সংসর্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতে পারে। যদি এমন ঘটে তাহলে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেরই ইনফেকশনের চিকিৎসা করতে হবে।
  •  যেসব পুরুষের মূত্রপথে কোনো অস্বাভাবিক বস্তু (যেমন কিডনিতে পাথর অথবা প্রোস্টেট বড় হওয়া) থাকে, তাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে।
  •  যেসব পুরুষের ডায়াবেটিস রয়েছে কিংবা এমন রোগ রয়েছে, যার কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
প্রস্রাবের প্রবাহ ইনফেকশনকে ধুয়ে বের করে দেয়ার মাধ্যমে প্রোস্টেট গ্রন্থিও রস উৎপাদন করে, যা ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি মন্থর করে।
স্বাভাবিকভাবে প্রস্রাব জীবাণুমুক্ত থাকবে, তবে বিশেষ কিছু অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সচরাচর ই.কলাই নামক জীবাণু যা অন্ত্রে বাস করে, তা মূত্রনালিতে ঢুকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ ঘটায়। একে ইউরেথ্রাইটিস বা মূত্রনালির প্রদাহ বলে।
এ ইনফেকশন মূত্রথলি থেকে কিডনিতেও ছড়াতে পারে। একে বলে পাইলো নেফ্রাইটিস।
  •  ক্ল্যামাইডিয়া এবং মাইক্রোপ্লাজমা নামক ক্ষুদ্র জীবাণু দুটি যৌন সংসর্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতে পারে। যদি এমন ঘটে তাহলে স্বামী-স্ত্রী দু’জনেরই ইনফেকশনের চিকিৎসা করতে হবে।
  •  যেসব পুরুষের মূত্রপথে কোনো অস্বাভাবিক বস্তু (যেমন কিডনিতে পাথর অথবা প্রোস্টেট বড় হওয়া) থাকে, তাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে।
  •  যেসব পুরুষের ডায়াবেটিস রয়েছে কিংবা এমন রোগ রয়েছে, যার কারণে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

Health+Beauty

চোখের সুস্থতায় ৬টি অসাধারণ খাবার

 

অনেক মানুষ আছে যারা চোখে কম দেখে, বিকৃত দৃষ্টির হয় এমনকি কাছের অথবা দূরের জিনিস সহজে দেখতে পারে না। চোখের যত্নে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করলে এই ধরণের সমস্যা থাকেনা এবং  চোখ সুস্থ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।
আপনার চোখের সার্বিক সুস্থ থাকা কিছু পুষ্টির উপর নির্ভর করে। যেমন- ভিটামিন এ ও সি, ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারটিনয়েড, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেনট সমূহ যা আপনার চোখের দৃষ্টি সাবলীল রাখতে সাহায্য করবে। খাদ্যাভ্যাসে কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখলে তা দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার চোখের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারবে। এমনি ৬টি পুষ্টি কর খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।

পালংশাক

আপনার দৃষ্টি শক্তি উন্নত করতে হলে প্রতিদিন পালংশাক এর সাথে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। যেমন- পাতা কপি, শালগম, সরিষা পাতা, বরবটি, পেঁপে ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সবুজ শাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, লুটেইন এবং ম্যাঙ্গানিজ থাকে যা চোখের জন্য অনেক উপকারী।
পালংশাকে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে যা চোখের কর্নিয়া রক্ষা করে, লুটেইন সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং ম্যাঙ্গানিজ চোখের দৃষ্টি উন্নয়নে সাহায্য করে। বেশি উপকারিতা পেতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পালংশাকের জুস খাওয়া উচিত। এছাড়া শাক বিভিন্ন সালাদ অথবা রান্না করেও খাওয়া যেতে পারে।

রুই মাছ

নিয়মিত রুই মাছ খেলে তা আপনার চোখের রেটিনাকে রক্ষা করে এবং চোখের অন্ধত্ব প্রতিরোধে সাহায্য করে। রুই মাছে ওমেগা- ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দ্বারা সমৃদ্ধ যা চোখের শুষ্কতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন রুই মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন। রুই মাছে বিভিন্ন ভাবে স্যুপ অথবা প্রধান ডিশ হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে। চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অন্যান্য ঠাণ্ডা জলের মাছ হেরিং, ম্যাকরল, সারডিন এবং টুনা সাহায্য করে।

গাজর

গাজরে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন থাকে যা ভিটামিন এ কে ধারন করে। ভিটামিন এ রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, একটি সুস্থ ও পরিষ্কার কর্নিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার চোখ এবং আপনার শরীর জুড়ে কোষ রক্ষার্থে সাহায্য করে। গাজরে লুটেইন থাকে যা রেটিনার কাছে হলুদ ডিম্বাকৃতির মেষকে প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া গাজরে ফাইবার এবং পটাসিয়ামও থাকে। আপনি গাজরকে স্ন্যাক হিসেবেও খেতে পারেন অথবা সুপ, সালদে বা সাইড ডিশ হিসেবেও খেতে পারেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ থাকে যা চোখের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ধারন করে। ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং চোখের ছানি ও গ্লুকৌমা প্রতিরোধে সাহায্য করে। ভিটামিন এ শুষ্ক চোখের সমস্যা সমাধান করে এবং ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস উভয় থেকে চোখকে রক্ষা করে। মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন, পটাসিয়াম ও ফাইবার উপস্থিত থাকে। মিষ্টি আলু ৪০০ রকম বৈচিত্রে সারা বছর আসে এবং তা সিদ্ধ করে, ভেজে অথবা রান্না করে খাওয়া যায়।

মরিচ

আপনার চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য আপনি নিয়মিত সবুজ, লাল, হলুদ, কমলা, বাদামি এবং কালোসহ বিভিন্ন রকম মরিচ খেতে পারেন। মরিচে সবচেয়ে বেশি পরিমানে ভিটামিন এ এবং সি থাকে। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষনে সহায়তা করে সাথে ভিটামিন সি চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
একই সময়ে মরিচে ভিটামিন বি-৬, লুটেইন, ম্যাঙ্গানিজ, বিটা-ক্যারোটিন এবং লাইসোপিনি থাকে। এই সব পুষ্টি চোখের সার্বিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। আপনার খাদ্যে মরিচ বিভিন্নভাবে ব্যাবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনি সালাদে মরিচ ব্যাবহার করতে পারেন।

আখরোট

আখরোটে বেশি পরিমানে ওমেগা- ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চোখের সার্বিক স্বাস্থ্য রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও আখরোটে অ্যান্টিঅক্সিডেনট সমূহ, জিংক ও ভিটামিন ই আছে যা প্রদাহ এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষনে সহায়তা করে। দৈনিক মুঠোভরে আখরোট খেলে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং বিভিন্ন দৃষ্টি সমস্যার হাত থেকে চোখকে রক্ষা করে।