Instructions

Friday, 22 January 2016

Health Bangla

যে ৬টি কারণে আপনি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন!

 

অনেক সময় আমরা হুট করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান হারিয়ে ফেলা ঘটনাটি ঘটে যখন আমাদের মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন পায় না তখন। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় “সিনকপ” বলা হয়। যদিও এটি অনেক বড় কোন রোগের লক্ষণ নাও হতে পারে। তবুও যারা ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে থাকেন, তাদের কিছুটা সচেতন হওয়া উচিত। সাধারণত কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার মুখে কিছুটা পানি ছিটা দিলে জ্ঞান ফিরে আসে। এই হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। আসুন তাহলে কারণ জেনে নেয়া যাক।

১। রক্তচাপ সমস্যা

নিম্ন রক্তচাপের কারণে অনেক সময় মানুষ অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারেন। একে চিকিৎসা শাস্ত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। যদি আপনি কোন বেলা না খেয়ে থাকেন তখন অনেক সময় রক্তে শর্করার অভাব দেখা দিয়ে থাকে। যার কারণে মাথা ঘুরিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মত ঘটনা ঘটে থাকে। তাই হুট করে অজ্ঞান হয়ে পড়লে ভয় পাবেন না। খাওয়াটা ঠিকমত করুন, দেখবেন সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।

২। হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে যাওয়া

শোয়া বা বসা থেকে হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে পড়লে মাথা ঘুরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন। সেই সময় মস্তিষ্কে রক্ত না পৌঁছে পায়ে এসে জমা হয় যার কারণে হুট করে আপনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাড়াহুড়া করে বসা বা শোয়া থেকে না উঠে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে উঠুন।

৩। স্ট্রেস

হাইপারটেশনের কারণে শরীরে অনেক রোগ বাসা বাঁধতে পারে। অতিরিক্ত স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তার কারণেও আপনি হঠাৎ করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই জীবন থেকে স্ট্রেসকে দূরে রাখুন সুস্থ থাকবেন।

৪। অতিরিক্ত আবেগ

মানুষ মাত্রই আবেগপ্রবণ মানুষ। আবেগপ্রবণ হওয়ার মত ঘটনা প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনে ঘটে থাকে। Dr. Lai-Becker বলেন “ অনেক সময় কোন খারাপ সংবাদ আবার আনন্দের সংবাদ শোনার পরও মানুষ জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন”। আপনি যখন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তখন আপনার রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়, অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং একসময় আপনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

৫। খালি পেট

দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার কারণেও অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে মস্তিষ্কে জ্বালানি পৌঁছায়ে না যার কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মত ঘটনা ঘটে থাকে।

৬। অনিয়মিত হার্ট বিট

অনিয়মিত হার্টবিটের কারণে মস্তিষ্কে রক্ত পৌঁছাতে পারে না। যার কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলাসহ হার্ট অ্যাটাক, স্টোক, ধমনী বলক হওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে।
আপনি যদি ঘন ঘন অজ্ঞান হয়ে পড়েন তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

Thursday, 21 January 2016

HIV

এইচআইভি এইডস সম্পর্কে জানুন সচেতন থাকুন

 

এইচআইভি / এইডস কনটেন্টটিতে এইডস কি, রোগের লক্ষণ, কিভাবে ছড়ায়, কিভাবে ছড়ায় না, কখন ডাক্তার দেখাতে হবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা, প্রতিকার, প্রতিরোধ সর্ম্পকে বর্ণনা করা হয়েছে। এইচআইভি বা এইডস হলো জীবনহানিকর একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। এখন পর্যন্ত এইচআইভি/এইডসের কোন কার্যকর চিকিৎসা আবিস্কার হয়নি। এইডসের সংক্রমণ প্রতিরোধ সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এর প্রতিরোধ, চিকিৎসা এবং এইডস সম্পর্কে পড়াশুনা ও সচেতনতা।

এইডস কি

এইডস একটি সংক্রামক রোগ যা এইচআইভি (Human Immunodeficiency Virus) ভাইরাসের সংক্রমণের মাধ্যমে হয়। এটি মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। এইচআইভি সংক্রমণের ফলে অন্যান্য রোগ যেমন-নিউমোনিয়া, মেনিননজাইটিস এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে। এইচআইভি সংক্রমণের পরের ধাপকেই এইডস (Acquired Immunodeficiency Syndrome) বলা হয়।

এইডস হয়েছে কি করে বুঝছেন 

সংক্রমণের ধাপের উপর নির্ভর করে এইচআইভি ও এইডসের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো পৃথক হয়ে থাকে।

এইডস এর লক্ষণ ও উপসর্গ 

সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত: 
  • জ্বর
  • মাথা ব্যথা
  • গলা ভাঙ্গা
  • লসিকাগ্রন্থি ফুলে উঠা (Swollen lymph glands)
  • শরীরে লালচে দানা (Rash) ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
সংক্রমণের পরবর্তী সময় সাধারণত: 
  • অস্থিসন্ধি ফুলে উঠা (Swollen lymph nodes)
  • ডায়রিয়া
  • শরীরের ওজন কমা
  • জ্বর
  • কাশি এবং শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
সংক্রমণের শেষ পর্যায়ে সাধারণত: 
  • রাতের বেলা খুব ঘাম হওয়া
  • কয়েক সপ্তাহ ধরে ১০০ ফারেনহাইট (৩৮ সে.) বা এর অধিক তাপমাত্রার জ্বর অথবা কাঁপুনি
  • শুকনা কাশি এবং শ্বাস কষ্ট
  • দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া
  • মুখ অথবা জিহ্বা বেঁকে যাওয়া অথবা সাদা দাগ পড়া
  • মাথা ব্যথা
  • সবকিছু অস্পষ্ট ও বিকৃত দেখা
  • তীব্র অবসাদ অনুভব
  • তিন মাসের অধিক সময় ধরে অস্থিসন্ধি ফুলে থাকা ইত্যাদি লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়।
শিশুদের ক্ষেত্রে এইচআইভি’র লক্ষণ 
  • ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া
  • স্বাভাবিক বৃদ্ধি না হওয়া
  • হাঁটতে সমস্যা
  • মানসিক বৃদ্ধি দেরীতে হওয়া
  • কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া এবং টনসিলের মতো সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যার প্রকট আকার ধারণ করা
কিভাবে এইডস ছড়ায় 
  • শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে
  • এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে
  • কারো ব্যবহৃত সুচ এবং সিরিঞ্জ ব্যবহারে মাধ্যমে
  • সিরিঞ্জ এর মাধ্যমে দুর্ঘটনা জনিত কারণে
  • গর্ভবতী মা এইচআইভিতে আক্রান্ত হলে, ডেলিভারীর সময় এবং আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলে শিশুর এই রোগ হতে পারে।
  • শরীরের কোন অঙ্গ বা কলা প্রতিস্থাপন করলে অথবা জীবাণুমুক্ত করা হয়নি এমন সরঞ্জাম দিয়ে দাঁতের চিকিৎসা বা অপারেশন করলে।
কি করলে এইডস ছড়ায় না 
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খাওয়া দাওয়া করলে
  • আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পায়খান (Toilet) ব্যবহার করলে
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে হাত মিলালে
  • আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে খেলাধূলা, কোলাকুলি করলে
  • এই থালায় ভাত খেলে
কখন ডাক্তার দেখাবেন
রোগের প্রাথমিক ও পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
কোথায় চিকিৎসা করাবেন 
  • মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  • সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
  • বেসরকারী হাসপাতাল
  • এনজিও পরিচালিত বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্র
কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে  
  • রক্তের পরীক্ষা (ELISA and Western blot tests)
  • মুখের শ্লেষ্মা পরীক্ষা (Oral Mucus)
কি ধরণের চিকিৎসা আছে 
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন এবং অন্যান্য নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
এইচআইভি/ এইডস আক্রান্ত হলে জীবন-যাপন পদ্ধতি
  • শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন না করা
  • গর্ভধারণ না করা
  • বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে দেখানো
  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন ও নির্দেশনা মেনে চলা
  • প্রতিষেধক গ্রহণ
  • সুষম খাদ্য যেমন-তাজা শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি খাওয়া
  • যেসব খাবার খেলে সংক্রমণ হতে পারে যেমন-কাঁচা খাবার সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকা
  • বিশুদ্ধ পানি পান করা
  • নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করা
  • পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম
  • ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা
  • হাত ভালোমত পরিষ্কার করা
এইডস কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়
  • নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন
  • এইচআইভি আক্রান্ত ক

 

Man Health

শীতে পুরুষের ত্বকের যত্ন নেয়া প্রয়োজন

শুরু হয়ে গেল শীত মৌসুম। এসময় চারদিকে থাকে ধুলোবালির ওড়াউড়ি, শুষ্ক আবহাওয়া সঙ্গে রোদের দাপট। সারাদিন যাদের বাইরে নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাদেরকে সবকিছুই সহ্য করতে হয়। বিশেষ করে বাইক চালানো পুরুষদের ত্বকে বেশি ধকল সইতে হয়।
কিন্তু নাজুক মুখের ত্বক এতোটা সহ্য করতে পারে না। দিনে দিনে হারাতে বসে উজ্জ্বলতা। মুখে ব্রণ, ব্লাকহেডস, চামড়া কুচকে যাওয়া- সবই সইতে হয়। অথচ এই শীতে আপনার ত্বকেও দিতে পারেন পূর্ণ সুরক্ষা। সেজন্য দরকার অল্প কিছু সময় বরাদ্দ-

ত্বক পরিষ্কার রাখা

ত্বককে বাইরের ধুলাবালি ও রোদ থেকে যথাসম্ভব রক্ষা করতে হবে। বাইকাররা নিয়মিত হেলমেট পরতে পারেন। অন্যরা ছাতা ব্যবহার করতে পারেন অথবা চলাচেলে ছায়াযুক্ত পথ বেছে নিতে পারেন। রোদে পুড়লে ত্বকে সহজে কালচে ছোপ পড়ে। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় রোদের তাপ থেকে ত্বককে দূরে রাখতে হবে।

স্ক্রাবিং

সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন মুখে স্ক্রাব করতে হবে। বাজারে নানা ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। বিশেষ করে সাইট্রিক এসিড, গ্লিসারিন অয়েল, ফ্রুট যুক্ত স্ক্রাবগুলো ছেলেদের স্কিন এর জন্য খুবই উপকারী। স্ক্রাব ত্বক থেকে ধুলা, অতিরিক্ত তেল দূর করে নিখুতভাবে পরিষ্কার করতে সক্ষম।

লেবু

মাঝে মাঝে বাইরে থেকে এসে ওয়াসরুমে ঢোকার আগে একটা লেবু কেটে খোসাসহ মুখে ভালভাবে ঘষে নিতে পারেন। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল, পিগমেন্টেশন, রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন সি মুখের কালো দাগ দূর করে ত্বককে আরও ফর্সা করে।

শসা

প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান। কাজ শেষে ঘরে ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে পরিষ্কার করে নিন। এছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকৃতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।

কাঁচা হলুদের ও দুধ

রূপচর্চায় একটু বাড়তি আয়োজন মাঝে মাঝে করা যেতে পারে। সেজন্য এক চামচ কাঁচা হলুদের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিতে হবে। পেস্টটি সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে শুকাতে দিন। এবার মুখ ধুয়ে পান কোমল আর ফর্সা ত্বক।

ঘৃতকুমারী

ঘৃতকুমারীর রসে প্রচুর পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এই রস মুখে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।

Latest News

৮ শহরে বায়ু সবচেয়ে ক্ষতিকর

 

 ঢাকাসহ ছয় মহানগর ও ঢাকার পাশের দুটি শহরের বাতাস এখন ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’। বাতাসের মান পরীক্ষা করে পরিবেশ অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।
এ অবস্থায় বেঁচে থাকার জন্য শ্বাস নিতে গিয়ে মানুষের ফুসফুসে যা ঢুকছে, তা শুধু মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা বলছেন, প্রতিদিন মানুষ দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করে। কিন্তু ফুসফুসে নেয় দুই হাজার লিটার বাতাস। এই শ্বাস গ্রহণের সময়েই ফুসফুসে ঢুকে পড়ছে অস্বাস্থ্যকর বস্তুকণা।
পরিবেশ অধিদপ্তরের ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট (কেস) প্রকল্পের আওতায় বাতাসের মান খতিয়ে দেখা হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। এ জন্য ঢাকায় চারটি, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট মহানগর এবং গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে একটি করে নির্মল বায়ু পরীক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। ১১টি কেন্দ্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে বাতাসকে ভালো, মধ্যম, অস্বাস্থ্যকর, খুব অস্বাস্থ্যকর, অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর—এই মানে চিহ্নিত করা হয়। প্রায় প্রতিদিন এই কেন্দ্রগুলো থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করেন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। পর্যবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, শীতকালে ১১টি কেন্দ্রে যে মানের বাতাস পাওয়া যাচ্ছে, এর চেয়ে বোধ হয় খারাপ অবস্থা আর হতে পারে না।
এদিকে যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (ডব্লিউএইচও) উদ্ধৃত করে বলছে, বায়ুদূষণের কারণে হওয়া ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। আর ২০১২ সালে এই রোগটির কারণে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটেছে যে পাঁচটি দেশে তার একটি হলো বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ধূমপান, সড়ক দুর্ঘটনা এবং ডায়াবেটিস—এই তিনটি রোগে প্রতিবছর যত মানুষ মারা যায়, বায়ুদূষণের কারণে মারা যাচ্ছে তার চেয়ে বেশি মানুষ।
পর্যবেক্ষণের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের কেস প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, ঢাকাসহ ছয়টি মহানগরেই নভেম্বর মাস থেকে বাতাসের মান অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পাওয়া যাচ্ছে। জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত এ অবস্থা চলবে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
বাতাসের মান বৃদ্ধি ও জনজীবনের ক্ষতির মাত্রা কমাতে গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে পরিবেশ অধিদপ্তর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্মাণকাজের সময় চারপাশ ঢেকে রাখা ও পানি ছিটানো, রাস্তা খোঁড়ার সময় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ঢেকে রাখা, স্টিল, রি-রোলিং মিলস ও সিমেন্ট কারখানাগুলোয় বস্তুকণা নিয়ন্ত্রণমূলক যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও ধুলাবালি কমাতে বাড়ির চারপাশে সবুজায়ন করা, ইটভাটায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি ব্যবহার, গাড়ি ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা, যানজট এড়াতে ট্রাফিক আইন মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের তথ্য হলো এ মৌসুমে হাঁপানি ও সিওপিডির রোগী ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সিওপিডিতে আক্রান্ত মানুষের খুসখুসে কাশি হয়। এরা অল্প পরিশ্রমেই হাঁপাতে থাকে, জোরে জোরে শ্বাস নেয় এবং রোগী প্রায়ই মনে করে তার দম বন্ধ হয়ে আসছে।
বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক কাজী সাইফুদ্দিন বেননূর প্রথম আলোকে বলেছেন, ধূমপানের কারণে সিওপিডি হয়ে থাকলেও শহরাঞ্চলে রোগটির কারণ মূলত ধুলাবালি ও ধোঁয়া। তিনি ধুলা-ধোঁয়া থেকে বাঁচতে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেন এবং ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে বলেন।
বাতাস ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’: বাতাসে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন মনো-অক্সাইড, সিসা, নাইট্রোজেন অক্সাইড, ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড, পার্টিকুলেট ম্যাটার বা বস্তুকণা ও সালফার ডাই-অক্সাইড বায়ুদূষণ ঘটায়। তবে কেস প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ধুলাবালির মধ্যে থাকা বস্তুকণা মানুষের সবচেয়ে ক্ষতি করে।
নিরাপদ মাত্রা কতটুকু এবং ক্ষতিকর বস্তুকণা সে তুলনায় কতটা বেশি তার ভিত্তিতে সারা বিশ্বে একই ধরনের সূচক ব্যবহার করেন বিশেষজ্ঞরা। একে বলা হয় ‘এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স’ (একিউআই)। এ সূচি অনুযায়ী ০-৫০ ভালো, ৫১-১০০ মধ্যম, ১০১-১৫০ সতর্কাবস্থা, ১৫১-২০০ অস্বাস্থ্যকর, ২০১-৩০০ খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-৫০০ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। ২০ জানুয়ারি চারটি কেন্দ্রের গড় হিসাব অনুযায়ী ঢাকার বাতাসের মান ৩০৬, চট্টগ্রাম ৩২৮, খুলনা ৪১৫, গাজীপুর ৩১৭ এবং নারায়ণগঞ্জে ৫২৩। রাজশাহীর বাতাস ছিল মধ্যম মানের। তবে সিলেট ও বরিশালের তথ্য গতকাল বৃহস্পতিবার রাত আটটা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি আরবান ল্যাবের হিসাবে প্রতি মাইক্রোগ্রাম বাতাসে ১-১২ মাইক্রোমিটার বস্তুকণা থাকার কথা। ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় এটি ছিল যথাক্রমে ২২৫, ১৮৪, ২১৪, ২০২ এবং ২২৩ মাইক্রোমিটার।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, ঢাকা শহরে নিয়মকানুন না মেনে রাস্তাঘাট খোঁড়াখুঁড়ি এবং ভবন নির্মাণ করা হয়। যানবাহনগুলো পুরোনো এবং এগুলোর ইঞ্জিন তেল পুরোপুরি শোধন করতে পারে না, ফলে বাতাসে বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়ায়। মহানগরের চারপাশে মালার মতো থাকা অধিকাংশ ইটভাটা নিয়ম মেনে চলছে না।
কেস প্রকল্পের পরিচালক এস এম মুনজুরুল হান্নান খান বলেন, ‘বায়ুদূষণ রোধে নির্দিষ্ট আইন ও বিধিমালা আছে। আইনে ক্ষতির মাত্রা বিবেচনায় দূষণকারীর ছয় মাস থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান আছে। তবে সচেতনতা না বাড়ালে বায়ু দূষণ কমবে না। কিন্তু আইন না মেনে আমরা সবাই ক্ষতির শিকার হচ্ছি।’

Man Health

স্বপ্নদোষ কি ?

 


স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ।
তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।

স্বপ্নদোষের মাত্রা

স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।
স্পারম্যাটোরিয়া
১৮ ও ১৯ শতকে, যদি একজন রোগীর ঘনঘন অনৈচ্ছিক বীর্যপাত হতো কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ বীর্য বের হতো তখন তার রোগ নির্ণয় করা হতো স্পারম্যাটোরিয়া বা ‘ধাতুদৌর্বল্য’ বলে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা যেমনন্ধ খৎনা করার পরামর্শ দেয়া হতো। বর্তমানে কিছু হার্বাল ওষুধ দিয়ে অনেকেই এর চিকিৎসা করলেও তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
প্রচলিত ধারণা
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

Man Health

পুরুষের যৌন দূর্বলতা

রিণত বয়সের নারী-পুরুষ অনেকের কাছে যে সমস্যা অনেক সময় প্রকট হয়ে উঠে তা হলো যৌন দূর্বলতা, যার কারণে অনেক সময়ই দম্পতি মানসিক অশান্তিতে ভোগেন। অনেক অবিবাহিত এমনকি যৌন ক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করেনি এমন অনেকেও কিন্ত এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন।
আসলে আমাদের সমাজে অধিকাংশ মানুষেরই এ বিষয়ে সংকোচ বেশি থাকার কারণে প্রকৃত তথ্য থেকে অনেকে বঞ্চিত হন, তেমনি অনেক অপসংস্কার বা কুসংস্কার এই দূর্বলতার কারণে সমাজে বাসা বেধে আছে। যৌন দূর্বলতায় নারী বা পুরুষ উভয়েই আক্রান্ত হতে পারে তবে যৌন কার্যে নারীর ভূমিকা অনেক খানি পরোক্ষ বিধায় পুরুষকেই এই সমস্যা নিয়ে বেশী উদবিগ্ন হতে দেখা দেয়।
নারী পুরুষ মিলিয়ে এ ধরণের রোগির সংখ্যা শতকরা ১০ থেকে ২০ শতাংশ। একটু ভেবে দেখলে বোঝা যাবে এটা মোটেই ফেলে দেবার মতো কোনো সংখ্যা নয়।
দাম্পত্য সুখের জন্য প্রথমে পুরুষের ব্যধি নিয়ে আলাপ করা যাক। এজন্য প্রথমেই জেনে নিতে হবে একজন পুরুষের যৌন বিষয়ক শারীরবৃত্তীয় কাজ গুলো কি কি।
১- যৌন ইচ্ছা (Libido-লিবিডো) বা সেক্সুয়াল ডিজায়ার থাকা।
২- লিঙ্গত্থান বা ইরেকশন (Irection) হওয়া, যা পুরুষাঙ্গে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পাবার কারনে হয়।
৩-পুরুষাঙ্গ দিয়ে ধাতু (semen-সিমেন) নির্গমন (Ejaculation)।
এর সাথে সংশ্লিষ্ট আরেকটি term ও জেনে নেয়া যেতে পারে আর তা হলো Detumescence বা পুরুষাঙ্গের শিথিলতা। এসব কিছুর মধ্যে পুরুষের লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা বা ইরেকটাইল ডিজফাংশন টিই প্রকট সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত।এই সমস্যাটি নানাবিধ কারনে হতে পারে।এর বড় একটা কারন হলো মনস্তাত্বিক, এছাড়া কিছু হরমোনের অভাব অথবা মস্তিস্কের রোগের কারনেও এমনটি হতে পারে।
পুরুষাঙ্গের ধমনি (রক্তনালী)সরু হয়ে যাওয়া কিংবা শিরার যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এমন সমস্যার জন্ম দেয়। কারন গুলোকে ঠিকভাবে চিহ্নিত করলে একটা স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যেতে পারে

বার্ধক্যঃ

আসলে বয়স বাড়াটা লিঙ্গোত্থানের ব্যর্থতার কোনো সমস্যা নয়, বরং বয়স বাড়ার সাথে সাথে শারীরবৃত্তীয় এবং মানসিক যেসব পরিবর্তন হয় তা অনেক সময় এতে প্রভাব ফেলে।
 কিছু কিছু রোগের কারনে পুরুষের এমন সমস্যা হতে পারে যেমন- ডায়াবেটিস হওয়া, স্থুলতা, অন্য এন্ডোক্রাইন বা হরমোনের সমস্যা দেখা দেয়া, প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন হওয়া ইত্যাদি।

 ধুমপানঃ

ধুমপান একদম প্রত্যক্ষ ভাবে লিঙ্গত্থান ব্যর্থ হবার একটি বড় কারন।

ঔষুধঃ

কিছু কিছু ঔষুধ আছে যা পুরুষের অমন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, এর মধ্যে আছে মানসিক রোগের অসুধ, কিছু স্টেরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের অসুধ, নেশা উদ্রেককারী অসুধ যেমন কোকেন, গাজা, অধিকমাত্রায় এলকোহল সেবন ইত্যাদি।
 মেরুদন্ডের অভ্যন্তরে যে মজ্জা থাকে (spinal cord) তাতে আঘাত পেলে কিংবা তা রোগাক্রান্ত হলেও এমন সমস্যা দেখা দেয়।
 পুরুষাঙ্গের নিকটবর্তী স্থানে রেডিওথেরাপী দিলেও এমন সমস্যা হতে পারে।
এছাড়া ডিপ্রেসন, এঙ্গার কিংবা বিভিন্ন মানসিক চাপ বা উত্তেজনার কারনেও লিঙ্গোত্থানে সমস্যা দেখা দেয়।
চিকিৎসাঃ
যৌন দূর্বলতার চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের কারণের উপড়। পুরুষাঙ্গের উত্থানের সমস্যা যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারনে হয় তা হলে অবশ্যই ঐ রোগের চিকিৎসা করাতে হবে। তবে সচরাচর এই রোগের জন্য কিছু অসুধ ব্যবহৃত হয় তার একটি হলো সিলডেনাফিল (sildenafil) যা অনেকের কাছেই ভায়াগ্রা নামে পরিচিত। এছাড়া এনড্রোজেন জাতীয় হরমোন এবং পুরুষাঙ্গের অভ্যন্তরীস্থ মূত্রনালীতে প্রয়োগ করা হয় এমন কিছু অসুধ ও রয়েছে। অপারেশনের মাধ্যমে পুরুষাঙ্গে বিভিন্ন ধরনের প্রসথেসিস (prosthesis) স্থাপন করেও এই সমস্যা থেকে স্থায়ী পরিত্রান পাওয়া যায়। ইউরোলজিষ্ট সার্জন গন এই প্রসথেসিস লাগিয়ে থাকেন। পুরুষাঙ্গের উত্থানের সমস্যা বলতে অনেকে আবার দ্রুত বীর্য স্খলন কেও বুঝে থাকেন। একে বলা হয় প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশন (premature ejaculation)। এটি ভিন্ন একটি সমস্যা আর এর চিকিৎসাও ভিন্ন রকম।

 

 

Hair care

চুল ভাল রাখতে রাতে শোবার আগে যা যা করা জরুরি

 

যতই ক্লান্ত হন না কেন ঘুমের আগে চুলের যত্ন কিন্তু খুবই জরুরী। কারণ এই সময়টাতেই আমাদের চুলের সব থেকে বেশি ড্যামেজ হয়।
রাতে ঘুমানোর সময়েই কিন্তু অনেক চুল পড়ে যায়, চুলের ডগা শিথিল হতে পারে, চুলের আগা ভেঙে যেতে পারে, চুলের গ্রোথও বন্ধ হতে পারে, চুল পাতলা হতে পারে ইত্যাদি।
কিন্তু এই সব সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে সবার আগে বেশ কিছু জিনিস আমাদের মেনে চলতেই হবে অর্থাৎ ঘুমাবার আগে একটু সময় বরাদ্দ করতে হবে চুলের জন্য। কীভাবে চুলকে রাতের ড্যামেজ থেকে বাঁচিয়ে ঘন লম্বা আর পরিপুষ্ট রাখা যেতে পারে তারই কিছু টিপস দেওয়া হলো-
১) কখনই নোংরা চুলে ঘুমিয়ে পড়বেন না। সারাদিন যদি আপনি বাইরে থাকেন তাহলেতো একদমই না। মনে রাখতে হবে সারাদিন ধুলো বালি নোংরা পলিউশন ইত্যাদি চুলের অনেক ক্ষতি করে।
নোংরা চুলে ঘুমোলে তা আপনার পোরস গুলোকে বন্ধ করে দিবে। তাই চুল যদি নোংরা হয় তাহলে চুলকে ধুয়ে নিতে হবে। রাতে শ্যাম্পু করে নিলে একটা সুবিধেও আছে তা হলো সকালে শ্যাম্পু করার তাড়া থাকে না আর আপনার অনেকটা সময় বাঁচে।
২) ভেজা চুলে কখনই শুয়ে পড়বেন না। চুলটা যতটা সম্ভব শুকিয়ে নিতে হবে। তাই বলে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। চুল শুকোবার জন্য ভালো করে তোয়ালে দিয়ে মুছে নেবেন আর তারপরে মোটা চিরুনি দিয়ে হালকা করে আঁচড়াতে হবে।
ভেজা চুলে জোর দিয়ে আঁচড়ালে তা চুলের ক্ষতি করে। এতে চুলের ডগা শিথিল হতে পারে। খুব ভালো হয় যদি একটু ড্রাই শ্যাম্পু লাগিয়ে নেওয়া যায়। ভেজা চুলে শুলে তা চুলের ক্ষতি তো করবেই আর তাছাড়া ঘুম থেকে ওঠার পরে তা অনেক জট ফেলবে।
৩) মোটা চিরুনি দিয়ে ভালো করে জট ছাড়িয়ে নিন। এর ফলে আপনার চুলে বিভিন্ন ময়লা আর কেমিক্যাল অনেকটা দূর হয়ে যাবে।
৪) জট ছাড়ানো হয়ে গেলে একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে নিয়ে সেটা মাথায় লাগাতে হবে। ভিটামিন ই চুলের খাদ্য হিসেবে খুবই ভালো। এটা চুল পড়া, শুষ্ক ও নির্জীব চুল, পাতলা চুলে দারুণ কাজ করে। ভিটামিন ই ক্যাপসুল যেকোনো ওষুধের দোকানে পেয়ে যাবেন। এটা ত্বকের জন্যও খুব ভালো।
৫) অনেকেই চুল খুলে শুয়ে পড়েন কিন্ত সেটা চুলের ক্ষতি করে। তাই চুল সবসময় বেঁধে শুতে হবে। শোবার সময় লম্বা বা মাঝারি চুলের জন্য বেনুনি বাঁধা যেতে পারে। যাদের একটু ছোট চুল তারা উঁচু করে পনি টেল বেঁধে নিতেন পারেন।
এর ফলে আপনার স্ক্যাল্প ব্রিদ করতে পারবে অথবা একটা খোঁপাও করা যেতে পারে। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে কিছুতেই চুল খুব শক্ত করে বাঁধবেন না। একটু হালকা করেই বাঁধবেন বিশেষত যাদের চুল লম্বা।
৬) সঠিক বালিশ নির্বাচন করাটাও জরুরী। তুলোর সংস্পর্শে এলে আমাদের চুল কিন্ত পড়ে যায়। তুলোর সংস্পর্শে চুল শুষ্ক হয়ে যায় আর তার ফলে চুল পড়ে যায়।
তাই সবসময় সাটিন অথবা সিল্ক দিয়ে তৈরি বালিশের কভার লাগিয়ে দিন বালিশে। এর ফলে আপনার চুল আর পড়বে না। যদি সাটিন অথবা সিল্ক কভার না থাকে তাহলে সিল্কের স্কার্ফ বালিশে পেতে নিন। তাহলেও সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
মনে রাখবেন চুল যখন বাঁধবেন তখন যে তা খুব সুন্দর বা পরিষ্কার হতে হবে তা একদম নয়। মোটামুটি করে বাঁধলেই হবে। আর যদি শ্যাম্পু করেন তাহলে শ্যাম্পুর একটু আগে তেল লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় রেখে তবেই শ্যাম্পু করবেন।
আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে সারাদিনের কাজের পরে রাতের বেলায় আমরা যতই ক্লান্ত হই না কেন স্বাস্থ্য ভরা আর লম্বা চুল পেতে গেলে এইটুকু সময় তো আপনাকে দিতেই হবে।
মনে রাখতে হবে আপনার আজকের একটু পরিচর্যা আপনাকে করে তুলবে সুন্দর চুলের অধিকারী যা আপনার রুপকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

Man Health

পুরুষের শরীরের যে অঙ্গগুলো নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন!

প্রতিটি পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে যে তাদের শরীরের কোন কোন অঙ্গগুলোকে নারীরা অত্যাধিক পছন্দ করেন। এই বিষয়ে সম্প্রতি এক ছোট্ট গবেষণা করা হয়। গবেষণায় প্রায় ১০০ জন নারীকে এই প্রশ্নটি করা হয়ে থাকে যে পুরুষদের কোন কোন অঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের। তাদের উত্তরের আনুপাতিক গড় হিসেবে নিচের অঙ্গগুলোর কথা উঠে আসে। চলুন জেনে নেয়া যাক:

১. চওড়া কাঁধ :

বেশির নারীর মুখেই এই উত্তরটি শোনা যায় যে তারা পুরুষদের চওড়া কাঁধকেই অনেক বেশি পছন্দ করেন। তাদের ভাষ্যমতে যার কাঁধ যত বেশি চওড়া হবে সেই পুরুষ তত বেশি হট আর সুদর্শন।

২. চওড়া বক্ষ :

পুরুষদের আকর্ষণীয় অঙ্গের মধ্যে আরেকটি হল তাদের চওড়া বক্ষ। অনেক পুরুষ আছেন যারা জিমে গিয়ে অস্বাভাবিক দেহ তৈরি করেন। এই ধরনের পুরুষের দেহ নয় বরং যাদের প্রকৃতিগতভাবেই চওড়া বক্ষ রয়েছে তাদেরই পছন্দ করেন নারীরা। এছাড়া চওড়া বক্ষের অধিকারী এসব পুরুষের স্তনের গড়নও তাদের বেশ ভালো লাগে। তারা যখন ঘামেন তখন তাদেরকে অনেক বেশি আকর্ষর্ণীয় লাগে বলে অধিকাংশ নারীরা জানিয়েছেন।

৩. আকর্ষণীয় পেশী :

পেশীবহুল পুরুষকে যে কারও দেখতে ভালো লাগে। তবে তৈরি করা অস্বাভাবিক পেশী অনেক নারীই অপছন্দ করেন। নারীরা বলেন, পুরুষকে তখনই অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখায় যখন নাকি তার পেশীবহুল বাহু টি-শার্টের মধ্য দিয়ে ফুটে ওঠে।

৪. সুমিষ্ট ঠোঁট :

ঠোঁট যে শুধু নারীরই আকর্ষণীয় হয়ে থাকে তা নয় একজন পুরুষেরও ঠোঁট অনেক বেশি আকর্ষণীয় আর সুমিষ্ট হতে পারে বলে এমনটা মন্তব্য করেন অনেক নারী। তবে বেশিরভাগ নারীই চিকন ঠোঁটের অধিকারী পুরুষদেরই বেশি পছন্দ করেন।

৫. জিহ্বা :

অবাক হওয়ার কিছু নেই পুরুষদের অঙ্গ নিয়ে নারীদের পছন্দের তালিকায় জিহ্বাও রয়েছে। আবেগঘন চুম্বনে বা শারীরিক মিলনের সময়ে জিহ্বার ভূমিকা অসাধারণ। তাই নারীদের অনেকেই পুরুষের এই জিহ্বাকে বেশ পছন্দ করে থাকেন।

৬. স্বাস্থ্যকর হাত :

অনেক পুরুষই আছেন যাদের বয়সের তুলনায় হাতের স্বাস্থ্যের গড়ন ঠিকভাবে হয়নি। অর্থাৎ তাদের হাতগুলো অনেকটা অস্বাস্থ্যকর মনে হয়। নারীরা পুরুষদের এমন বাহু একেবারেই পছন্দ করেন না। তারা স্বাস্থ্যকর হাত পছন্দ করেন যেখানে কোনো অতিরিক্ত মেদও থাকবে না পাশাপাশি একেবারেও রোগাও হবে না।

৭. আকর্ষণীয় হিপ :

নারীদের হিপের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পুরুষের হিপের সৌন্দর্য থাকাও উচিত। হিপের স্বাস্থ্য বেশি কমও না আবার বেশি মেদযুক্তও না এমন ধরনের হিপ নারীরা পছন্দ করে থাকেন। সুতরাং দেখা যায় যে পুরুষদের অঙ্গের মাঝে হিপকেও অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন নারীরা।

৮. স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ :

স্বাভাবিকভাবেই নারীদের পছন্দের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষদের অঙ্গ হল স্বাস্থ্যকর যৌনাঙ্গ। ইঞ্চির হিসেবে এটিকে হতে হবে স্বাস্থ্যকর আর আকর্ষণীয়। যৌনাঙ্গের বিষয়ে নারীরা যে বিষয়গুলো চেয়ে থাকেন, লিঙ্গটি হতে হবে গন্ধমুক্ত, পরিস্কার, রোগমুক্ত আর উপভোগ্য শক্তিসম্পন্ন।

 

Health+Beauty

পিরিয়ড কী আপনার ত্বক খারাপ করে দিচ্ছে? এর কারণ ও চিকিৎসকের পরামর্শ জেনে নিন

 

বিষয়টা আপনিও খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই। ত্বকের যত্ন নেওয়া সত্ত্বেও মাসের ওই সময়টাতেই কেন যেন ত্বকের অবস্থা বেশি শোচনীয় হয়ে পড়ে। একেবারে নিয়ম করে অনেকের ত্বক পিরিয়ডের আগে দিয়ে খারাপ হয়ে যায়, ব্রণ উঠে ভরে যায় মুখ।

আপনি একা নন, অনেকেরই এই ব্যাপারটায় ভুগতে হয়। কিন্তু কেন হয় এমন? পিরিয়ডের সাথে ত্বকের সম্পর্ক কী? কথা বলেন আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হসপিটালে কর্মরত ডাক্তার আয়শা নূর।
ডাক্তার নূরের মতে, পিরিয়ডের সময়ে, আগে ও পরে আমাদের শরীরে হরমোনের মাত্রায় যেসব পরিবর্তন আসে সেসবের প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরে এবং এ থেকেই দেখা যায় ব্রণ বা পিম্পল। আমাদের মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের বিভিন্ন পর্যায়ে আমাদের শরীরে হরমোনের মাত্রা একেক রকমের হয় এবং তার ওপর নির্ভর করে ত্বকের পরিবর্তন আসে এভাবে-

পিরিয়ডের পর থেকে ওভ্যুলেশন বা ডিম্বপাত পর্যন্ত

অনেকেই জানেন যে আমাদের মেন্সট্রুয়াল সাইকেল ২৮ দিনের, এর ১৪-১৫ দিনের মাথায় দেখা দেয় ওভ্যুলেশন। ২৮ দিনের এই সাইকেলের প্রথম অর্ধেকে আমাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন অনেক বেশি থাকে।
ফলে এ সময়ে আমাদের ত্বক বেশ ভালো থাকে। এ সময়ে বেশিরভাগ নারীর ত্বকে কোনো সমস্যা দেখা যায় না। এ সময়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই মুখ ধোয়া, ময়েশ্চারাইজিং এসব কাজ চালিয়ে যেতে পারি।

ওভ্যুলেশনের পর থেকে পিরিয়ডের কিছুদিন আগে পর্যন্ত

এই সময়টা হলো মেন্সট্রুয়াল সাইকেলের পরবর্তী অর্ধেক। এ সময়ে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই সময়ে ত্বকের রোমকুপ বা পোর ছোট হওয়াতে অনেকেই খুশি হন বটে। কিন্তু এটা আমাদের ত্বকের সিবাম উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়, ফলে ত্বকে ব্রনের উৎপাত বেড়ে যেতে পারে।
সিবাম বেড়ে গেলে কারো কারো ত্বক গ্লো করে, কারো ত্বক আবার একেবারে তেলেতেলে দেখায়। এই সময়ে ত্বক পরিষ্কার রাখাটা খুবই জরুরী। তাই ত্বক থেকে হাত দূরে রাখুন এবং মোবাইল ফোন রাখুন পরিষ্কার।
এছাড়াও ত্বক পরিষ্কার রাখতে ব্যবহার করতে পারেন এমন ফেসওয়াশ যাতে আছে স্যালিসাইলিক এসিড। ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন বেঞ্জয়িল পারক্সাইড ক্রিম।

পিরিয়ডের ঠিক আগে

এই সময়টায় দুম করে পড়ে যায় শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মাত্রা। ফলে শরীরে এগুলোর চাইতে বেশি পরিমাণে থাকে টেস্টোস্টেরন হরমোন।
টেস্টোস্ট্রেরন অনেকেই চেনেন পুরুষের হরমোন হিসেবে কিন্তু নারীদের শরীরেও তা থাকে। এই সময়ে যেসব ব্রণ হয় সেগুলো এড়ানো কঠিন। তাই ত্বকের যত্নে হতে হবে আরও সতর্ক। ডাক্তার আয়শা নূর বলেন, এ সময়েই বেশিরভাগ নারীর ব্রণ হতে দেখা যায়।
পিরিয়ডের কারণে ত্বকে যেসব পরিবর্তন আসে সেগুলোর পেছনে মূলত হরমোন দায়ী। শরীরের জন্য তো হরমন লাগবেই, তাই এটাকে এড়াতে পারবেন না বটে। কিন্তু ত্বকের যথাযথ যত্ন নিলে ব্রনের উপদ্রব কিছুটা হলেও কমিয়ে রাখা সম্ভব।
পরামর্শদাতা: ডাক্তার আয়শা নূর মিলি
এমবিবিএস
আনোয়ার খান মেডিকেল হাসপাতাল
কৃতজ্ঞতা dailyhealthcare21

Health+Beauty

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন চোখের নিচের কালো দাগ

চোখের নিচে কালো দাগ চেহারাকে যেমন মলিন করে দেয়, তেমনি বয়সকে বাড়িয়ে দেয় অনেক বেশি। আসল সৌন্দর্যকে লুকিয়ে ফেলে। যতই সাজগোজ করুন না কেন প্রফুল্ল দেখাবে না।

অথচ একটু যত্ন আর সাবধানতা পারে সমস্যার সমাধান করতে। চোখ অনেক স্পর্শকাতর একটি জায়গা। তাই প্রাকৃতিক উপায়ে তার পরিচর্যা করা ভালো।
এতে দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও থাকবে না। চোখের চারপাশ হবে আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত। জেনে নিন ঘরে বসে কীভাবে দূর করবেন চোখের নিচের কালো দাগ-
  • চোখের নিচের কালো দাগ দূর করেতে টমেটো খুবই উপকারী। এক চা চামচ টমেটোর রসের সঙ্গে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার অন্তত এই প্যাক লাগাতে হবে।
  • আলু ভালো কর পেস্ট করে এর রস একটি কটন বলে নিয়ে চোখের ওপর ১৫ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখবেন পুরো চোখ যেন ঢেকে থাকে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
  • টি ব্যাগ ব্যবহারের পর ফ্রিজে রেখে দিন। ঠাণ্ডা হলে বের করে চোখ বন্ধ করে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। প্রতিদিন ব্যবহারে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে সহজেই।
  • ঠাণ্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। দশ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলা ভাব কমে যাবে এবং কালো দাগ দূর হবে।
  • কমলার রসের সঙ্গে দুই ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। এটা কালো দাগ দূর করার পাশাপাশি চোখকে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
  • শসার রস এবং আলুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে চোখে লাগান। কিছুক্ষণ পর হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।
  • রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া  কুচকানো ভাবও দূর হবে।

 

Health+Beauty

শীতে ঠোঁট ফাটা রোধ করুন সহজেই

 

শীত আসছে। আবহাওয়া এখন শুষ্ক। ঠোঁটও শুকনো খটখটে হয়ে পড়ছে কখনো কখনো। শীত বাড়লে এ সমস্যাও বাড়বে। ঠোঁটের ত্বক খুব পাতলা ও সংবেদনশীল।

তাই ঠান্ডা শুষ্ক হাওয়া বা পানির সংস্পর্শে শুষ্ক হয়ে যায়। ঠোঁটের ওপর থেকে পাতলা চামড়া ওঠে, কখনো রক্তও বের হয়। ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে কী করা যেতে পারে জেনে নিন –
  • ঠোঁটের শুষ্কতা রোধে পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ বাম লাগান। বাইরে বেরোনোর সময় ছোট্ট ভ্যাসলিনের কৌটা সঙ্গে রাখুন। দু-এক ঘণ্টা পরপর ব্যবহার করুন।
  • শরীরে পানিশূন্যতা যেন না হয়। যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন।
  • ঠোঁট ভেজাতে জিব দিয়ে কখনো চাটবেন না। মুখের লালায় যে জৈব-রাসায়নিক উপাদান থাকে, তা ঠোঁটকে আরও শুকিয়ে দেয়।
  • ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের অভাবেও ঠোঁট ফাটে। যথেষ্ট ফলমূল ও শাকসবজি খান।
  • ঠোঁট থেকে শুকনো মরা চামড়া উঠে এলে তা টেনে টেনে তুলবেন না। এতে ঠোঁটে ঘা হতে পারে। রক্তও বেরোতে পারে। রাতে ঘুমানোর আগে পুরু করে ভ্যাসলিন লাগিয়ে একটু পর দাঁতের ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষে মরা ত্বক উঠিয়ে নিন।

 

WOMEN HEALTH

সহজেই স্টিম ফেসিয়াল করুন ঘরে বসেই



আয়নার সামনে গেলেই ত্বক নিয়ে ভাবনাটা বেড়ে যায় কয়েকগুন। তখন মনে হয়, নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য কোমল, মসৃণ ত্বক অপরিহার্য।
সে ত্বককে সুন্দর করতে আমাদের চেষ্টারও কমতি থাকে না। বিশেষ করে শীতের শুরুতে হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তনে ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে দরকার ফেসিয়াল।
ফেসিয়ালের মধ্যে স্টিম ফেসিয়াল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। কেননা উত্তপ্ত বাষ্প রোমকূপকে প্রসারিত করে। ফলে ধুলো ময়লা ও অবাঞ্ছিত তৈলাক্ত পদার্থ আটকে থাকা সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়।
গরম পানির ভাপ মুখে নিলে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আসুন শিখে নেয়া যাক, ঘরে বসে স্টিম ফেসিয়াল করার সহজ নিয়ম –
  • প্রথমে মাথার চুল পেছন দিকে আঁচড়ে বেঁধে নিতে হবে।
  • একটা বড় গামলায় অর্ধেকটা ফুটন্ত গরম পানি নিন।
  • একটা বড় তোয়ালে পিঠের দিক থেকে মাথার উপরে টেনে গামলা ঢেকে দিন যাতে বাষ্প বেরিয়ে যেতে না পারে। অনেকটা তাবুর মত করে তোয়ালে দিয়ে গামলার ওপর ঝুঁকে মাথা ঢেকে দিন।
  • এসময় চোখ দুটো বন্ধ রাখতে হবে।
  • মাঝে মাঝে তোয়ালে সরিয়ে প্রয়োজনীয় শ্বাস নেয়া যাবে। চামচ দিয়ে পানি নেড়ে নিলে বেশি করে বাষ্প উঠতে থাকবে। এভাবে ১০ মিনিট ভাপ নিতে হবে।
  • পানিতে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান মেশাতে পারেন। যেমন- ১ চামচ যোয়ান, ২টি লেবুর রস অথবা খোসা, ২ চামচ থেঁতো মৌরি। এগুলো আপনার ত্বকের যত্নে দারুণ ভূমিকা পালন করবে।
  • ভাপ নেওয়া শেষ হলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর তোয়ালে দিয়ে ত্বক মুছে নিন।
  • সব শেষে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মেখে নিন। হয়ে গেল স্টিম ফেসিয়াল।

 

Wednesday, 20 January 2016

WOMEN HEALTH

প্রাচীনকালে জন্মনিয়ন্ত্রণের পাঁচ অদ্ভুত নিয়ম! (ছবি সহ)





জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বা অসময়ে গর্ভধারণের হাত থেকে রেহাই পেতে সেই প্রচীনকাল থেকেই চেষ্টার ত্রুটি ছিল না মানুষের। নানা সময়, নানা জায়গায়, নানা ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে মানুষ। আর এমনই অদ্ভুত কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণের নজির নিয়েই লেখা হল আজকে।

১. চাঁদের দোষ!

গ্রীনল্যান্ডে মনে করা হত একজন নারীর গর্ভবতী হওয়ার পেছনে সবচাইতে বড় অবদান হচ্ছে চাঁদের। আর তাই গর্ভধারণ এড়াতে চাঁদকে এড়িয়ে চলত নারীরা। তাকাতো না চাঁদের দিকে। এমনকি ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিজেদের পেটে থুতু লাগিয়ে নিত তারা। যাতে করে ঘুমের ভেতরেও চাঁদ কোন ধরনের ঝামেলা করে ফেলতে না পারে।

২. পারদের মিশ্রণ

চীনে গর্ভধারণ এড়াতে অদ্বূত এক পদ্ধতি অবলম্বন করা হত। আর সেটা হচ্ছে তেল আর পারদের মিশ্রণ পান করা। খালি পেটে নারীদেরকে অসময়ে গর্ভধারণ থেকে বাঁচার জন্যে এই মিশ্রণটি খেতে হত। যদিও এখন আমরা জানি পারদ হাড় আর শরীরের জন্যে ঠিক কতটা ক্ষতিকর!

৩. জলপাই তেল

প্রাচীন গ্রীসে জলপাই তেল আর সিডারের তেল একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করত পুরুষেরা। কারণ, মনে করা হত এটি তাদের শুক্রাণুকে অনেক বেশি দূর্বল করে দেয়। ফলে সেটা নারীকে গর্ভবতী হওয়া থেকে বিরত রাখে। নিজের লেখাতেও এই মিশ্রণের কথা জানিয়েছেন এ্যারিষ্টটল।

৪. মধু

প্রাচীন মিশরে নারীর গর্ভধারন এড়াতে ব্যবহার করা হত মধু। তবে পুরুষ নয়, নারীরা ব্যবহার করত এটা। মনে করা হত মধুর প্রলেপ থাকলে পুরুষের শুক্রাণু নারীর ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। ফলে জন্ম হবেনা কোন সন্তানেরও! বর্তমানে অবশ্য মধুর পরিবর্তে হানি ক্যাপ ব্যবহার করে অনেকে।

৫. নেকড়ের মূত্র

মধ্যযুগে বেশ ভালো রকমের অন্ধ বিশ্বাস ছিল সবার ভেতরে। বিশেষ করে ব্যাপারটা ঔষধ নিয়ে হলে তো কথাই নেই! চিকিৎসার নানারকম ধরন ছিল তখন। আর তারই একটা অংশ হিসেবে সেসময় নারীদের অযাচিত গর্ভধারণ থেকে দূরে থাকতে যৌনমিলন করবার আগেই ঘরের বাইরে গিয়ে কোন নেকড়ের মূত্র ত্যাগ করার স্থানের ওপর মূত্র ত্যাগ করতে হত। কিংবা ঘুরে আসতে হত কোন গর্ভবতী নেকড়ের মূত্রত্যাগের স্থান থেকে!

৬. লাইসল

খুব বেশি দূর যেতে হবেনা। ১৯০০ এর প্রথমদিকের কথা। তখনো জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ হয়নি আমেরিকায়। লাইসল নামের একটি পণ্য বের করা হয় বাজারে। যেটা কিনা নারী দেহের ভেতরে গিয়ে খানিকটা অংশ জ্বালিয়ে দেবে আর “ নিরাপদ “ ভাবে নিশ্চিত করবে জন্মনিয়ন্ত্রণ! তবে যতটা নিরাপদই বলা হোক না কেন, এটা ব্যবহার করতে গিয়ে আহত তো হনই, নিহতও হন প্রায় ৫ জন!

 তথ্যসূত্র- 10 Strange Methods Of Birth Control From History

LIFE STILE

স্টাইল

মাহির সুন্দর জীবন

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির প্রিয় খাবার গরুর কালা ভুনা। টকজাতীয় খাবার পছন্দ করেন। সময় পেলেই গাড়ি নিয়ে ঘুরতে বের হন।

 

জিন্‌স–কেডস দুটোই প্রিয় বাড়িতে পরেন এমন পোশাক
একেক সময় একেক পোশাক পরেন। তবে সব সময়ই গুরুত্ব পায় আরাম। বাসায় ঢিলেঢালা পোশাক পরেন। বাইরে পশ্চিমা ঢঙের পোশাক পরা হয় বেশি।
মাহি বলেন, ‘কেনাকাটা কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হলে জিনস, টি-শার্ট বা শার্ট পরে নিই। আরামদায়ক মনে হয়।’ দেশের বাইরে ঘুরতে বা শুটিংয়ে গেলে ভ্রমণের সময় হাফপ্যান্ট, টি-শার্টের মতো পশ্চিমা পোশাকই পরে নেন বড় পর্দার এই তারকা।
বিদেশ ভ্রমণে মাহি পশ্চিমা ঢঙের পোশাক পরেন। ছবি: সুমন ইউসুফছবির মহরত কিংবা প্রিমিয়ার শোসহ বিশেষ অনুষ্ঠানে গাউনই পরেন বেশি। গাউনের রং অবশ্যই লাল, নীল বা কালো হতে হবে। মাহি বলেন, ‘দিন বা রাতের অনুষ্ঠানের পরিবেশ বুঝে গাউনের রং ঠিক করে নিই।’ দেশীয় কোনো অনুষ্ঠানে শাড়ি বেছে নেন তিনি। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে কপালে লাল টিপ পরেন। মাহি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই লাল টিপ আমার পছন্দ।’
গয়নার প্রতি কোনোই দুর্বলতা নেই তাঁর। হাতে একটি প্লাটিনামের চুড়ি পরেন। আর হাতের আঙুলে সব সময়ই থাকে রুবি পাথরের আংটি। মাহি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে অভিনয়ের শুরু থেকেই রুবি পাথরের আংটি পরি। এই আংটি আমার জন্য আশীর্বাদ মনে হয়।’
দেশি  অনুষ্ঠানে পরেন  দেশি শাড়িপায়ের জন্য স্লিপারে বেশি আরাম পান। তবে জিনসের সঙ্গে নাইকি ও অ্যাডিডাস ব্র্যান্ডের কেডস পছন্দ।
শীতকালে যেমন ঘুরতে মজা, আবার খাবারদাবারের উপাদানগুলো ভালো থাকে। আর এই পছন্দের ঋতুতে সালোয়ার-কামিজের ওপর শাল বা হুডি চাপিয়ে নেন তিনি। শীতকাল মাহির প্রিয় ঋতু।
সুগন্ধির প্রতি দুর্বলতা আছে এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর। বিভিন্ন নামীদামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধির যেমন পছন্দ, তেমনি আতরও তাঁর বিশেষ পছন্দ। মাহি বলেন, ‘আতরের ঘ্রাণটা অন্য রকম মনে হয়। সেই ছোটবেলা থেকেই আমার পছন্দ।’ গিভেন্সি ও ভিক্টোরিয়া সিক্রেটসের সুগন্ধি তাঁর ভালো লাগে।
পার্টিতে দেখা যায় গাউনেটকজাতীয় খাবার তাঁর পছন্দ। গরুর কালো ভুনা পেলে সব ভুলে যান তিনি। আর সেটা নিজের হাতেই রান্না করতে পছন্দ করেন। তবে মায়ের হাতে শুঁটকি রান্না তাঁর খুব প্রিয়। পছন্দের তালিকায় তেহারীর কথা না বললেই নয়। তেহারী খেতে রাতবিরাতে বন্ধুরা মিলে প্রায়ই পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজারে ঢুঁ মারেন।
শুটিং থাকলে ভোর চারটা, না থাকলে বেলা করেই ঘুম থেকে ওঠেন মাহি। ঘুম থেকে উঠে নিয়ম করে প্রতিদিনই মধু-পানি পান করেন।
সিনেমার নায়িকা, সিনেমা না দেখলে কি হয়! মাহি জানান, বলিউডের নতুন নতুন ছবিগুলো দেখা হয় তাঁর। আর শাবনূর, সালমান শাহ অভিনীত ছবিগুলো নিয়মিতই দেখেন তিনি।
শুটিংয়ের জন্য প্রতিদিনই মুখে ভারী মেকাপ নিতে হয় তারকাদের। আর এ কারণে দরকার হয় ত্বকের বাড়তি যত্নও। মাহি বলেন, ‘ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে আমি নিয়মিত মুখে টমেটো লাগাই। এতটুকুই।’ শুটিংয়ে চুলের ওপরও কম ধকল যায় না। তাই যত্নে নিতে নিয়মিতই চুলে তিলের তেল ব্যবহার করেন তিনি। এতে চুল শক্ত থাকে।
আলো-ছায়া দিয়ে নিজের ঘর সাজিয়েছেন মাহি। কাঠ, মাটি বা চীনামাটির তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে আলোর বিভিন্ন শেড বানিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন। নিজ হাতেই এই আলো-ছায়ার আবহ তৈরি করেন তিনি। আবার বিভিন্ন ধরনের ঝাড়বাতিও তাঁর পছন্দ।
মাহির স্কুলজীবনের বন্ধুরাই যেন প্রাণ। অবসর পেলেই বন্ধুদের নিয়ে মেতে ওঠেন এই তারকা। ঢাকার বাইরে দূরের রাস্তায় নিজেই গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে পড়েন। কখনো সিলেট, কখনো বান্দরবান—পাহাড়ঘেরা অরণ্যে ঘুরতে চলে যান। কখনো কখনো গাড়ি রেখে বান্দরবানের পাহাড়ি রাস্তায় যাত্রীবাহী বাসের ছাদে দলবল মিলে উঠে পড়েন। মাহি জানান, বন্ধুরা মিলে দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে নিজেকে আর অভিনেত্রী ভাবেন না। যা মন চাই, তা-ই করেন। ভাবেন, জীবনটা ছোট কিন্তু অনেক সুন্দর!

WOMEN HEALTH

গর্ভকালীন সময়ে কোমর ব্যথা দূর করতে করনীয় ?

 

 

নারী জীবনের একটি বড় স্বপ্ন হলো মা হওয়া। তবে এ সময় একজন গর্ভবতী মায়ের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কোমর ব্যথা তার মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে তৃতীয় ট্রাইমিস্টার বা গর্ভকালীন শেষ ভাগে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
আমাদের মেরুদণ্ডের লাম্বার রিজন বা কোমরে অংশে একটি সি আকৃতির কার্ভ বা বাঁকা অংশ থাকে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় লাম্বার লরর্ডোটিক কার্ভ বলা হয়, এটি আমাদের কোমরকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে।
গর্ভকালীন সময়ে, বিশেষ করে শেষ তিন মাসে যখন বাচ্চার ওজন ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে, তখন মায়ের পেটের আকৃতিও বাড়তে থাকে। এতে এই বাড়তি ওজন বহন করতে মায়ের মেরুদণ্ডের কোমরের অংশের মাংসপেশিগুলোকে বেশি একটিভ বা সক্রিয় থাকতে হয়।
পাশাপাশি গর্ভবতী মা পেটের বাড়তি ওজন বহন করে কিছুটা পিছনের দিকে বাঁকা হয়ে যায়। এতে কোমরের মাংসপেশি ও স্পাইনাল লিগামেন্টগুলো ফেটিগ বা দুর্বল হয়ে যায়; তখন ব্যথা অনুভূত হয়। যেহেতু এই সময় ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়, তাই সাধারণত মায়েরা ব্যথা সহ্য করে থাকেন।
তবে প্রসব পরবর্তী সময়ে এই ওভার একটিভ মাংসপেশিগুলো আরো বেশি শিথিল ও দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ব্যথা আরো বেড়ে যায়। তবে অনেকেই ধারণা করে থাকেন সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য একটি ইনজেকশন দেওয়ার পর থেকে ব্যথা শুরু হয়েছে। তবে ইনজেকশন ব্যথার জন্য দায়ী নয়। মূলত কোমরের মাংসপেশি, লিগামেন্ট ও লাম্বার লাইনের স্বাভাবিক বক্রতা বেড়ে যাওয়ার ফলে এই ব্যথার সৃষ্টি হয়।
করণীয়: গর্ভকালীন কোমর ব্যথা যেহেতু ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা যায় না, তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা অনেক উপকারী। এ ক্ষেত্রে সুপারফিসিয়াল থার্মোথেরাপির পাশাপাশি কিছু থেরাপিউটিক ব্যায়াম করতে হয়। যেমন-স্ট্যাটিক ব্যাক মাসল  এক্সসারসাইজ, পেলভিক ব্রিজিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি। এগুলো গর্ভকালীন কোমরের মাংসপেশির শক্তি বজায় রাখে এবং গর্ভকালীন কোমর ব্যথা অনেকাংশে কমায়।
প্রসব পরবর্তী ফিজিওথেরাপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে কোমর ও পেটের শিথিল হয়ে যাওয়া মাংসপেশিগুলো শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য কিছু থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করতে হবে। যেমন- পেলভিক-ফ্লোর এক্সারসাইজ, ব্যাক মাসল স্ট্রেন্দেনিং এক্সারসাইজ; অ্যাবডোমিনাল এক্সারসাইজ ইত্যাদি। ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করলে প্রসব পরবর্তী কোমর ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

CHILD HEALTH


WOMEN HEALTH

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খেতে ভুলে গেলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরী এই তথ্যগুলো ?

ওষুধ খেতে ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তেমনই বার্থ কন্ট্রোল পিল খেতে ভুলে গেলেও আসলে মানুষটিকে দোষ দেওয়া যায় না। কিন্তু একবার পিল খাওয়া মিস হলে কী করতে হবে এ ব্যাপারে অনেকেই জানেন না। বকা খেতে হবে এই ভয়ে ডাক্তার বা পরিবারের কাউকেও জিজ্ঞেস করেন না। আপনাদের জন্যই জরুরী এই তথ্যগুলো।


যদিও এখান থেকে আপনি কিছু সাধারণ ধারণা পাবেন, কিন্তু এর পরেও জেনে রাখুন ডাক্তারের সাথে কথা বলাটাই সবচাইতে ভালো সমাধান। পিলটা যে খেতে বলেছে তার থেকেই উপদেশ নেওয়া ভালো। কারণ একেক ব্র্যান্ডের পিলে একেক ধরণের উপাদান থাকে। কিছু পিলের ক্ষেত্রে নতুন করে খাওয়া শুরু করলেই হয়। কিন্তু কিছু কিছু পিলের ক্ষেত্রে আবার ভুল করে না খাওয়াটা হতে পারে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।
এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড় জানান, ১-২ দিনের পিল মিস হয়ে গেলে যখন মনে পড়বে তখনই এই ১/২ দিনের পিল খেয়ে নিতে হবে এবং পরেরগুলো নিয়ম অনুযায়ী খেতে হবে। এর পাশাপাশি ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভ বা এমন কোন ব্যাকআপ বার্থ কন্ট্রোল ব্যবহার করতে হবে।
আর যদি ৫-৬ দিনের মিস হয়ে যায় তাহলে আর নতুন করে পিল খেতে হবে না কিন্তু সেই পুরো মাসের জন্য তাকে এবং তার স্বামীকে অন্য কোন বার্থ কন্ট্রোল মেথড ব্যবহার করতে হবে।
কিছু পিলের একই প্যাকেটের মাঝে কয়েক লেভেলের হরমোন সমৃদ্ধ পিল থাকে। একেক সময়ে একেকটা খেতে হয়। আপনি কোন পিলটা মিস করেছেন তার ওপর নির্ভর করে সমাধান একেক রকমের হবে। এখানে দেখে নিন কম্বিনেশন পিল খাওয়া মিস করলে কী করতে হবে তার ব্যাপারে কিছু তথ্য।
–   Planned Parenthood এর মতে, একটানা সাতদিন বা তার বেশি গেলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। একটা প্যাক শেষ হবার পর নতুন একটা প্যাক শুরু করতে ভুলে গেলে অথবা পুরনো প্যাক শেষ না করলে এটা হতে পারে। এর জন্য এই চার্টটা দেখে নিতে পারেন।
–  প্যাকের শুরুতে এক বা দুইটা পিল খেতে ভুলে গেলে যখন মনে পড়বে তখনই একটা খেয়ে নিতে হবে। এর পরেরটা মনে করে সময়মত খেয়ে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার একটা সাতদিনব্যাপি ব্যাকআপ বার্থ কন্ট্রোল মেথড ফলো করতে হতে পারে।
–  ৩ দিন থেকে শুরু করে ২১ দিন এর মধ্যে যদি ২/১টা পিল খেতে ভুলে যান তাহলেও একইভাবে মনে পড়ার সাথে সাথে একটা পিল খেয়ে নিতে হবে এবং পরেরটা সময়মত খেতে হবে। এক্ষেত্রে সাধারণত কোন ব্যাকআপ লাগে না।
–  প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনটা বা তার বেশি পিল মিস করলে এক্ষেত্রে মনে পড়ার সাথে সাথে একটা পিল খেয়ে নিতে হবে এবং পরেরটা সময়মত খেতে হবে। এক্ষেত্রে সাত দিনের ব্যাকআপ বার্থ কন্ট্রোল দরকার হবে।
–  তৃতীয় সপ্তাহে যদি তিনটা বা তার বেশি পিল মিস করেন তাহলে আর ওই প্যাক থেকে ওষুধ খাবেন না, পুরো প্যাকের ওষুধ ফেলে দিয়ে নতুন একটা প্যাক শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে সাতদিনের ব্যাকআপ লাগবে। 
প্রেগ্নেন্সি টেস্ট করে নেওয়াটা ভালো এক্ষেত্রে।
কী করতে হবে এক্ষেত্রে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটা ভালো, তবে তারমানে এই নয় যে আপনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে যেতে হবে। আপনি ফোন করেও জেনে নিতে পারেন কী করা দরকার। এছাড়া ওষুধের প্যাকের সাথে যে নির্দেশিকা থাকে সেটা থেকেও আপনি কিছু তথ্য পেতে পারেন। গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে আপনি ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপ্টিভের ব্যাপারেও চিন্তা করে দেখতে পারেন।

Diseases

জেনে নিন যে ৭টি সহজলভ্য খাবার প্রতিরোধ করবে ক্যান্সার ?

 
ক্যান্সার ‘মরণ ব্যাধি’ নামে পরিচিত। এই মরণ ব্যাধিও প্রতিরোধ করা সম্ভব খাবার দিয়ে। কি শুনে অবাক লাগছে? কিছু খাবার আছে যা মরণব্যাধি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখা হলে এবং তার সাথে নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যান্সারকে দূরে রাখা সম্ভব। ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে এমনই কিছু খাবারের নাম জেনে নেওয়া যাক।

১। গাজর

গাজরে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারটিন আছে যা বিভিন্ন ক্যান্সার যেমন ফুসফুস ক্যান্সার, শ্বাসনালী ক্যান্সার, পাকস্থলী ক্যান্সার, অন্ত্র ক্যান্সার এমনকি স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। প্রতিদিন একটি গাজর বা এক গ্লাস গাজরের রস পান করুন।

২। রসুন

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যারা রসুন খান তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। এটি ক্যান্সারের জীবাণু প্রতিরোধ করে। এমনকি কিছু ক্যান্সারের জীবাণু ভেঙ্গে ফেলে। প্রতিদিন একটি খোয়া রসুন খান, এটি আপনার ভেতর ক্যান্সার প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

৩। টমেটো

টমেটোর রস ক্ষতিকর ডিএনএ এর কোষ নষ্ট করে ফেলে। এছাড়া এতে ‘লাইকোপিন’ নামক উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। তাই সপ্তাহে ২ থেকে ৩ টি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত।

৪। বাদাম

বাদামে সেলেনিয়াম নামক অ্যান্টি ক্যান্সার উপাদান আছে। বাদাম কোলন, ফুসফুস, যকৃত, এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সকালে কিংবা বিকালের নাস্তায় চিনাবাদাম রাখুন। এ ছাড়াও বাদামের মাখনও আপনার শরীরকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখতে পারে।

৫। হলুদ

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি এক গবেষণায় বলা হয়েছে হলুদে ‘কারকিউমিন’ নামক উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে। প্রতিদিন কাঁচা হলুদের দুধ, বা মাছ ও মাংসের মত তরকারিতে প্রয়োজন মত হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।

৬। গ্রিন টি

সবুজ চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাটচীন নামক উপাদান আছে যা বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে গ্রিন টি টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে। সাধারণ চায়ের চেয়ে গ্রিন টি বেশি কার্যকর।

৭। ব্রকোলি

ফুলকপি, বাধাঁকপির মত ব্রকোলি একটি আঁশযুক্ত সবজি যা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে থাকে। এছাড়া গ্যালাকটোজ উপাদান অন্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার দূর করে। ব্রোকলির সালফোরোফেন, ইনডোলস উপাদান ফুসফুস,  ব্লাডার,  লিমফোমা ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

Health+Beauty

জেনে নিন কেন আপনার হাত সবসময় ঠাণ্ডা হয়ে থাকে!


শীতকালে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে হাতমোজা ছাড়া বাইরে বের হলে তো হাত ঠাণ্ডা হবেই। কিন্তু কারও কারও হাত সারা বছরই হয়ে থাকে ঠাণ্ডা বরফ।

কেন এই সমস্যাটা হয়? এটা কী নিরীহ কিছু, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রোগ দায়ী? এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হসপিটালে কর্মরত ডাক্তার লুৎফুন্নাহার নিবিড়। জেনে নিন সারা বছর হাত ঠাণ্ডা হয়ে থাকার কিছু কারণ –

রেনড’স সিনড্রোম

এই শারীরিক জটিলতার কারণে হাত-পায়ের আঙ্গুল ঠাণ্ডা হয়ে থাকতে পারে। আঙ্গুলে রক্তনালিকা সংকুচিত হবার কারণে হাত ঠাণ্ডা হয়ে থাকে।
অনেক সময়ে হাত রক্তশূন্য সাদা দেখাতে পারে, হাত হয়ে পড়ে ঠাণ্ডা, অনুভূতিশূন্য এমনকি হাত ব্যাথাও করতে পারে। সাধারণত ঠাণ্ডা জিনিস স্পর্শ না করা, হাত গরম কাপড়ে ঢেকে রাখা এবং মানসিক চাপ এড়িয়ে চলাটা এক্ষেত্রে সহায়ক।

হাইপোথাইরয়েডিজম

থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে কোণ সমস্যা থাকলে হাত ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ থাইরয়েড শরীরের থার্মোস্ট্যাট হিসেবে কাজ করে।
থাইরয়েড যদি যথেষ্ট কর্মক্ষম না থাকে তাহলে হাত ঠাণ্ডা হয়ে থাকার পাশাপাশি ক্লান্তি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ওজন বাড়াসহ সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে। নারীদের মাঝে এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মাঝে হাইপোথাইরয়েডিজম বেশি দেখা যায়।

রক্ত সরবরাহে সমস্যা

সারা শরীরে রক্ত সরবরাহে কোন সমস্যা থাকলে তখন হাত ঠাণ্ডা হয়ে থাকতে পারে। হাত-পায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত সরবরাহ না হলে তখন আঙ্গুল ঠাণ্ডা হয়ে যায়, অসাড় হয়ে যায় কারণ হৃদযন্ত্র থেকে আঙ্গুলগুলোই সবচাইতে বেশি দূরে অবস্থিত।

অ্যানিমিয়া

শরীরে যথেষ্ট লোহিত রক্তকণিকা না থাকলে অথবা রক্তে যথেষ্ট হিমোগ্লোবিন না থাকলে অ্যানিমিয়া রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এর কারণে শরীর অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়।যথেষ্ট আয়রন না খেলে, কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে, কিছু ক্যান্সারের কারণে এবং হজমগত কিছু সমস্যার কারণে অ্যানিমিয়া হতে পারে।
ঠাণ্ডা আঙ্গুলের পাশাপাশি দেখা যায় ক্লান্তি, মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরা এবং ফ্যাকাশে ত্বক। সাধারণত আয়রন সাপ্লিমেন্ট খেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়।

ভিটামিন বি১২ এর অভাব

ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ মাংস, ডিম, দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার না খেলে শরীরে লোহিত রক্তকণিকার অভাব হতে পারে। যারা ভেজিটেরিয়ান বা ভেগান তাদের এই সমস্যা হতে পারে। অনেকের আবার বার্ধক্যে এই ভিটামিন শরীরে শোষণ করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
এতে অ্যানিমিয়া দেখা যায় এবং এ থেকে হয় হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে থাকার সমস্যাটি। সাধারণত একটি রক্ত পরীক্ষা থেকে বের করা যায় আপনার এই সমস্যা আছে কিনা।

নিম্ন রক্তচাপ

হাইপোটেনশন অথবা রক্তচাপ কম হবার কারণেও হাত-পা ঠাণ্ডা থাকতে পারে। ডিহাইড্রেশন, রক্তক্ষরণ, কিছু ওষুধ এবং এন্ডোক্রাইন ডিজিজের কারণে এটা হতে পারে।

ধূমপান

ধূমপান যে আরও অনেক কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তা আমরা জানি। হাতপায়ের ঠাণ্ডাভাবের জন্যও এটা দায়ী হতে পারে। নিকোটিন রক্তনালিকাগুলোকে সংকুচিত করে ফেলে। এছাড়া আর্টারি আটকে ফেলার জন্যও এটা দায়ী। এই দুই কারণে হাত-পায়ের আঙ্গুল ঠাণ্ডা হয়ে থাকতে পারে।

মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা

সাহিত্যে প্রায়ই আমরা পড়ে থাকি ভয়ে বা আতংকে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাবার কথা। এটা আসলেই সত্যি। দীর্ঘ সময় স্ট্রেস অথবা অ্যাংজাইটির মধ্যে থাকলে শরীরে অ্যাড্রেনালিন বেড়ে যায়, ফলে আঙ্গুলের রক্তনালিকা সংকুচিত হয় এবং ঠাণ্ডা হয়ে যায়। স্ট্রেস কমিয়ে আনতে পারলে এই সমস্যা কমানো যায়।

Diseases

যে উপকারী মসলাগুলো কমায় ক্যান্সারের ঝুঁকি ?











ক্যান্সারের ঝুঁকি ও রক্তে সুগারের পরিমাণ কমতে পারে আম


আমের রয়েছে নানা ধরণের পুষ্টি গুণ। গবেষকরা বলছেন, পাকা আমের মধুর রস খেলে রক্তে চিনি বা সুগারের পরিমাণ কমতে পারে এবং কমতে পারে ক্যান্সারের ঝুঁকি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে- মোটা বা বাড়তি মেদ-চর্বির অধিকারী ব্যক্তিদের
ক্যান্সারের মতো মারাত্মক মরণব্যধির কথা আমাদের কারোরই অজানা নেই। আজ পর্যন্ত প্রতিষেধক তৈরি না হওয়া এই মরণব্যধি তাই নির্মূলের চাইতে প্রতিরোধ সহজ। পুরো বিশ্বের অনেক গবেষণা অনুযায়ী বলা হয় ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করতে হলে ২ ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রথমত, ডায়েট ও দ্বিতীয়ত, ব্যায়াম।
গবেষণায় দেখা যায় কিছু নির্দিষ্ট খাবারের মধ্যে ক্যান্সার প্রতিরোধের গুন রয়েছে। এবং এই ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব কিছু মসলার মাধ্যমেও। এগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে ও নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যান্সারকে দূরে রাখা সম্ভব।
আসুন দেখে নিই প্রতিদিনকার খাদ্য তালিকায় যে উপকারী মসলাগুলো যোগ করলে ক্যান্সারের হাত থেকে আপনি নিজেকে ও নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে পারবেন।

হলুদ

মসলার রাজা হলুদ, কারণ আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি খাবারেই এই জিনিসটির ব্যবহার রয়েছে। সেই সাথে অনেক রোগের ঔষধও এই হলুদ। হলুদে রয়েছে পলিফেনল কারকিউমিন যা মূত্রনালির ক্যান্সার, মেলানোমা, স্তন ক্যান্সার, ব্রেইন টিউমার, প্যানক্রিয়েট ক্যান্সার ও লিউকোমিয়া প্রতিরোধে বিশেষভাবে কার্যকর।

জিরা

ফোটো নিউট্রিয়েন্টস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর জিরা দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি ক্যান্সার বৃদ্ধিকারি এনজাইমগুলোকে প্রতিহত করে থাকে।

জাফরান

জাফরানে রয়েছে প্রাকৃতিক স্যারোটেনয়েড ডাইকার্বোক্সি এসিড যা ক্রোসেটিন নামে পরিচিত। এই ক্রোসেটিন প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার নির্মূলে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। যদিও এটি বিশ্বের সবচাইতে দামি মসলাগুলোর মধ্যে একটি, কিন্তু খুবই সামান্য পরিমাণে এই জাফরানের ব্যবহার আপনার দেহকে রাখবে ক্যান্সারের ঝুঁকি মুক্ত।

দারুচিনি

প্রতিদিন মাত্র আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে ক্যান্সারের ঝুঁকি মুক্ত রাখবে সারাজীবন। আয়রন, ক্যালসিয়ামে ভরপুর এই মসলাটি দেহে টিউমার বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে এবং ক্যান্সার দূরে রাখে। সকালে ১ কাপ দারুচিনির চা এবং রান্নায় সামান্য দারুচিনি গুঁড়ো যোগ করেই আপনি থাকতে পারেন নিশ্চিন্তে।

অরেগেনো

পিৎজা ও পাস্তার ওপরে টপিং হিসেবে অরেগেনো অনেকেরই পছন্দের। এর পাশাপাশি এই মসলাটি আপনাকে রাখবে ক্যান্সারের ঝুকিমুক্ত। অরেগেনোর অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান সমূহ দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে।

আদা

সাধারণ নানা ছোটোখাটো রোগের থেকে মুক্তি দেয় এই আদা। কিন্তু অনেকেই জানেন না এটি আমাদের মুক্তি দিতে পারে মরনব্যধি ক্যান্সার থেকেও। আদা আমাদের দেহের কলেস্টোরলের মাত্রা কমায়, হজমে সহায়তা করে এবং ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করতে সহায়তা করে। রান্নায় আদার ব্যবহার বাড়িয়ে পরিবারকে রাখুন ক্যান্সার মুক্ত।

Decor

সাজসজ্জার প্রসাধনী থেকেও হতে পারে চোখের মারাত্মক অসুখ!

 



কাজলমাখা ডাগর চোখের দিন ফুরিয়েছে অনেক আগেই। এখন আর জন্মসূত্রে ডাগর আঁখিপল্লবের দরকার হয় না। সাধারণ চোখকেও নয়নমোহিনী করে তোলে আইলাইনার-মাশকারা আরো কত কী? সময়ের একজন আধুনিক নারী হিসেবে চোখ সাজাতে প্রসাধনী বেশির ভাগেরই নিত্যদিনের বন্ধু-সঙ্গী। কিন্তু এক সময় আপনার পরম বন্ধু এ প্রসাধনীগুলোও হয়ে উঠতে পারে আপনার জন্য বিপজ্জনক।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চোখের পাতায় থাকা ব্যাকটেরিয়ার কারণে দামি প্রসাধনী থেকেও হতে পারে মারাত্মক অসুখ। বিষয়টি নিয়ে বেইলর কলেজের গবেষকদলের প্রধান ড. ক্রিস্টোফার ব্রেইল কথা বলেন যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্টের সাথে।
ড. ব্রেইল জানান, মানুষের চোখের পাতায় প্রকৃতিগতভাবেই নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর এগুলোর কারণেই চোখের এক ধরনের ভারসাম্য বজায় থাকে। কিন্তু যখনই আপনি আপনার চোখগুলোকে সাজাবেন বলে চোখে আইলাইনার বা মাশকারার ব্রাশ বুলালেন তখনই ব্যাকটেরিয়াগুলো চলে এলো ব্রাশে। এরপর প্রসাধনীর সুদৃশ্য কাচের বোতলে তারা সক্রিয় হতে থাকে।
ড ব্রেইল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে যখন একই প্রসাধনী ব্যবহার করা হয় তখন ব্যাকটেরিয়ার ধরন বদলে যাওয়ার কারণে তা থেকে আবার সংক্রমণও হয়। এতে বিভিন্ন ধরনের এলার্জিক রি-অ্যাকশনও হতে পারে। আর এ থেকে চোখ তখন হয়ে উঠবে জ্বালাময়, টকটকে লাল। আঁখি পল্লব চুলকাতে থাকবে অসহ্য রকমভাবে।
তবে এসব কিছু নির্ভর করছে আপনার প্রসাধনীগুলো কতদিন যাবৎ ব্যবহার করবেন তার ওপর। দুই-তিন মাসের মধ্যেই যদি বদলে ফেলেন পুরোনো প্রসাধনী তবে বিপদ নেই। কিন্তু বাস্তবে প্রসাধনী বদলান খুব অল্প মানুষই।

Life Stile


Man Health

পুরুষের যৌন সমস্যা ও সমাধান 

প্রতিটি মানুষই জন্মগতভাবে যৌবনের অধিকারী। জীবনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে এই যৌবন মানুষের জীবনে আসে। এই সময়টাই মানুষের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান সময়। এই সময়ে নারী ও পুরুষের দেহ-মনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এসময় একই সাথে নারী ও পুরুষদের নানা ধরনের শারীরিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।

মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষদেরও নানা ধরনের যৌন সমস্যা রয়েছে। যেমন – প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশেন (সহবাসে স্থায়িত্বের অভাব), ইরেকশন ফেইলিউর (পুরুষাঙ্গের উত্থানে দুর্বলতা), পেনিট্রেশন ফেইলিউর (যৌনাঙ্গ ছেদনে অক্ষমতা) প্রভৃতি। ডাক্তারী বিজ্ঞানমতে, পুরুষদের এসব সমস্যার জন্য যেসব বিষয়কে দায়ী করা হয় সেগুলো হলো:
  • যার সাথে সহবাসে মিলিত হওয়া সেই মানুষটির সাথে বয়সের পার্থক্য
  • সহবাসকারী পার্টনারকে অপছন্দ (যেমন: দেহের ত্বক, মুখশ্রী, দেহ সৌষ্ঠব প্রভৃতি)
  • ডায়াবেটিস
  • সিফিলিস
  • অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ
  • যৌনরোগ বা এইডস ভীতি
  • নারীর ত্রুটিপূর্ণ যৌনাঙ্গ
  • দেহে সেক্স হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
  • প্রয়োজনীয় যৌন শিক্ষার অভাব
আমাদের মধ্যে অনেকেই লজ্জায় এসব বিষয়ে কাউকে কিছু না বলে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। এ থেকে সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারণ করে। তাই এসব সমস্যা নিজের মধ্যে লুকিয়ে না রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ, ভিডিআরএল, টিপিএইচ, এইচবিএসএজি ও রক্তের হরমোন এনালাইসিস এর মাধ্যমে এথেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
এছাড়া আপনি চাইলে ঘরে বসেই এসব সমস্যা সমাধান করতে পারেন। এই পদ্ধতিকে বলা হয় হোম রেমেডি। হবে সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় হোম রেমেডি পদ্ধতি প্রয়োগ করে রোগটি নির্মূল করা সম্ভব হয়। যেসকল পুরুষের যৌন সক্ষমতা কম তারা নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
রসুন:
মসলা হিসেবে রসুন আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। ডাক্তারী ভাষায় রসুনকে বলা হয় গরীবের পেনিসিলিন। এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে। যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বিশেষ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনার কারণে যৌন ক্ষমতা হারিয়ে গেলে রসুনের মাধ্যমে তা পুণরায় ফিরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন কোয়া রসুন কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খেলে হারানো যৌন অক্ষমতা ফিরে পাওয়া যায়। যারা খালি কাঁচা রুসন খেতে পারেন না তারা গমের আটার তৈরি রুটির সাথেও কাঁচা রসুন মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীরে স্পার্ম তৈরির মাত্রা বেড়ে যায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে থাকে।
পেঁয়াজ:
আমরা অনেকেই জানি পেঁয়াজ খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সহজলভ্য এই মসলাটি কাম উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে অনেকদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এর ব্যবহার বিধি সম্পর্কে এখন সুস্পষ্ট তেমনকিছু জানা সম্ভব হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা পেঁয়াজ বাটা মাখনের সাথে ভেজে মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, এটি খাওয়ার আগে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাওয়া যাবে না। এটি খেলে দ্রুত বীর্যপাত, ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন প্রভৃতি সমস্যার সমাধান হয়। এছাড়াও পেঁয়াসের রসের সাথে কালো খোসা সহ বিউলির ডালের গুড়া সাত দিন ভিজিয়ে রেখে রোদে শুকিয়ে সেটি নিয়মিত খেলে কাম-উত্তেজনা বজায় থাকে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় থাকে।

Latest News

মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে মোটা মানুষ !

 

দু’মাস আগে যখন অস্ত্রোপচার হয়েছিল, ভেবেছিলেন নতুন জীবন ফিরে পেলেন৷ অনেকটা হালকাভাবে নতুন পথ হাঁটার স্বপ্ন দেখা শুরু হয়ে ছিল৷ কিন্তু কে জানত, এতো তাড়াতাড়ি সবকিছু শেষ হয়ে যাবে৷ মানুষ যেমনটা ভাবে, সবসময় তো তেমনটা হয় না৷ এবারও হল না৷



শুক্রবার মৃত্যু হল বিশ্বের মোটা ব্যক্তি (এমনটাই মনে করা হয়) আন্দ্রে মরেনো৷ ৩৮ বছরের এই মেক্সিকান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান৷ ৪৫০ কেজি ওজনের স্থূলকায় মরেনো একেবারেই হাঁটতে চলতে পারতেন না৷
সেই কারণেই দেহের অতিরিক্ত মাংস অস্ত্রোপচার করে বের করে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷ গত ২৮ অক্টোবর তাঁর অস্ত্রোপচার হয়৷ ঠিক হয়েছিল, শরীরের চারভাগের তিনভাগ মাংস বাদ দেওয়া হবে এবং খাদ্যনালীকে এমন একটা রূপ দেওয়া হবে যাতে তিনি বেশি না খেয়ে ফেলেন৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সফলও হয়৷ কমে যায় ১০০ কেজি ওজন৷ কিন্তু ক্রিসমাসের দিন হঠাৎই শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তাঁর৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান মরেনো৷

Health Bangla

চুলকানি কি করবেন জেনে নিন ঝটপট সমবধান ?


শরীর চুলকানি সমাধান

 

শরীর চুলকানি কোন নতুন সমস্যা নয়। বিভিন্ন কারণেই দেহে চুলকানি হতে পারে। অনেক সময়ই আমাদের হাতে, পায়ে, পিঠে চুলকানি হয়। তা কোন শারীরিক অসুস্থতা ছাড়াই হতে পারে কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ যা আমরা হাত দিয়ে চুলকালেই সেরে যায়। তবে অন্যান্য ধরণের কিছু চুলকানি হয়ে থাকে যেমন- এলার্জি, মশার কামড় কিংবা যেকোন পোকার কামড়, শরীরে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণ, হাত পা ছিলে গেলে তা শুকানোর সময়ও চুলকানি হয়ে থাকে। আর এই সমস্যাগুলোতে হাত দিয়ে চুলকিয়েই আরাম পাওয়া যায়না। বেশি সমস্যা থাকলে ডাক্তার দেখাতে হয় কিংবা ঘরোয়া উপায়েও সারিয়ে তোলা যায়। তাই যে কোন রকমের চুলকানি সারিয়ে তুলতে আপনি সাহায্য নিতে পারেন প্রাকৃতিক কিছু জিনিসের। চলুন জেনে নিই, জিনিস গুলো ও তার ব্যবহার সম্পর্কে।

লেবু

Lemon Pie
ভিটামিন সি তে ভরপুর লেবু যে কোন চুলকানি খুব সহজেই দূর করে দেয়। বিশেষ করে লেবুর ভোলাটাইল তেল শরীরের যেকোন রকমের চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে থাকে। লেবু টুকরা করে কেটে নিয়ে চুলকানির স্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন দেখবেন চুলকানি কবে যাবে।

পেট্রোলিয়াম জেলি

Petrolium Jelly
যদি আপনার ত্বক খুব নাজুক হয়ে থাকে তাহলে খুব সহজেই পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন কারণ এর কোন বিপরীত প্রতিক্রিয়া নেই এবং এই জেলিতে কোন ধরণের বিষাক্ত পদার্থ নেই যা আপনার ত্বকের ক্ষতি করবে। তাই শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।চুলকানি

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে মশ্চারাইজিং ক্ষমতা। এবং এটি আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো। শরীরের যেকোন জায়গায় চুলকানি হলে অ্যালোভেরা কেটে এক টুকরা নিয়ে সেখানে ঘষুন চুলকানি চলে যাবে।3

তুলসী পাতা

কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যেকোন ধরণের জ্বালা পোড়া ও চুলকানি থামাতে সহায়তা করে। কয়েকটি তুলসী পাতা নিয়ে ধুয়ে নিন তারপর যেখানে চুলকানি হয়েছে সেখানে পাতা গুলো কিছুক্ষণ ঘষুন। অথবা কিছু তুলসী পাতা পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি বরফ করুন এবং চুলকানি স্থানে ঘষুন।

Health Bangla



৯টি জিনিস মনে রাখলে কখোনো নস্ট হবে না আপনার দাঁত So Doing it?


. সঠিক টুথব্রাশ Toothbrush বাছাই করুন: যে টুথব্রাশটির উপরের শলাকাগুলো অতিরিক্ত শক্ত নয় আবার নরমও নয় অথচ ব্রাশের হেন্ডেল হাতের আঙ্গুল দিয়ে ধরার জন্য যথেষ্ট সুবিধাজনক এবং মুখের সকল দাঁতের অবস্থান অর্থাত্ দাঁতের উপর নীচ এবং ভিতরে বাহিরে সহজে আনা নেয়া করা যায় সেরকম টুথব্রাশ বেশী কার্যকর খেয়াল রাখতে হবে যেন অতিরিক্ত শক্ত ব্রাশ আপনার নরম মাড়িকে আঘাত না করতে পারে তাছাড়া আজকাল ইলেকট্রনিক ব্রাশও ব্যবহার করা নিরাপদ ইলেকট্রনিক ব্রাশের সাহায্যে অতি সহজে দাঁতের সকল এলাকা বা স্থান থেকে খাদ্য কণা দূর করা যায় তবে যাদের হাতে, কনুই বা ঘাড়ে আথ্রাইটিস (Arthrities) আছে তাদের জন্য ইলেকট্রনিক ব্রাশ নিরাপদ অথবা যাদের হাত দিয়ে ভালোভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে সমস্যা হয় তাঁদের জন্যও ইলেকট্রনিক ব্রাশ নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম বর্তমানে বিজ্ঞানীরা ইলেকট্রনিক ব্রাশ ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করছেন

. কতটুকু সময়: আপনি কি সময়মত দাঁত ব্রাশ করেন, বিজ্ঞানীরা বলেন, প্রতিদিন দুই বেলা ব্রাশ করা প্রয়োজন তবে তিনবার করতে পারলে অতি উত্তম দাঁত ব্রাশের জন্য দুই মিনিটই যথেষ্ট সময় মুখের ভিতরে বিভিন্ন স্থানকে ৪টি স্তরে ভাগ করা যায় যেমন ডান দিকের উপরে নীচে এবং বাম দিকের উপরে নীচে এবং প্রতি স্তরের জন্য ৩০ সেকেন্ড সময় নির্ধারণ করা যায় অনেকে টিভি দেখতে দেখতে বা গল্প করতে করতে বা অন্য কিছু কাজে সময় ব্যয় করতে গিয়ে দীর্ঘক্ষন দাঁত ব্রাশ করেন তাদের মধ্যে বেশীর ভাগেরই এনামেল ক্ষয় হয়ে এরোসন বা এট্রিশন হতে পারে এবং দাঁত অতি সংবেদনশীল হয়ে ঠান্ডা পানি বা গরম চা তে দাঁত শিরশির করতে পারে এক্ষেত্রে বিশেষ এক ধরণের টুথ পেইস্ট এবং  ডেন্টাল ফিলিং প্রয়োজন হয়

. অতিরিক্ত ঘষাঘষি বা শক্তভাবে ব্রাশ না করা: দেখা গেছে অনেকে ভেবে থাকেন যে জোরে জোরে এবং শক্তভাবে ব্রাশ দিয়ে দাঁত ঘষলে তাড়াতাড়ি ময়লা দূর হয় ,দাঁত ধবধবে সাদা হয় আসলে কিন্তু তা নয় এই অতিরিক্ত ঘষাঘষির ফলে দাঁতের ক্ষয় হয় এবং এনামেল উঠে যায় অনেকক্ষেত্রে মাড়িও ক্ষয় হয় তাই খুব ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দাঁত ব্রাশটিকে সবদিকে নিতে হবে যেন দাঁতের কোনো অংশ বাদ না পড়ে

. সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার: বিশেষজ্ঞরা বলছেন দাঁত ব্রাশটিকে প্রথমে মাড়ির থেকে ৪৫ ডিগ্রী এংগেলে বা কোনাকুনি বসিয়ে সকল জায়গায় ব্রাশ করতে হবে দাঁত ব্রাশ দাঁতের বাহিরের অংশ এবং ভিতর দিককার অংশ এবং সেই সাথে  জিহ্বার উপরিভাগও ব্রাশ করতে হবে, সত্যি কথা হলো ,দাঁতের কোনো স্থানেই এমনকি জিহ্বাতেও যেনো খাদ্যকণা লেগে না থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে


. কোন ধরণের টুথটেস্ট ব্যবহার করবেন: অনেক সময় আমরা টিভি বা রেডিও বিজ্ঞাপন শুনে বা দেখে টুথপেস্ট ব্যবহার করি এবং বলা হয় এগুলো দাঁতকে অনেক ঝকঝকে  সাদা করে বা অনেক শিরশির দাঁতকে ভাল করে ইত্যাদি নানা বিজ্ঞাপন কিন্তু,আসলে কি সব সত্যই তাই, আপনার ডেন্টিস্ট এর কাছে জেনে নিন কোন টুথ পেস্ট আপনার জন্য ভালো কারণ দাঁত শিরশির করার জন্য ব্যবহূত টুথ পেস্ট দীর্ঘদিন ব্যবহারে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশী সবচেয়ে উত্তম হচ্ছে যেকোন ফ্লুরাইড Fluoride মিশ্রিত টুথপেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা, তবে কয়লা, পাউডার ইত্যাদি উপাদান দাঁতের জন্য ক্ষতিকর  হতে পারে

. অতিরিক্ত সফট ড্রিংকস (Soft Drinks) দাঁতের জন্য ক্ষতিকর: অনেক ধরণের এনার্জি ড্রিংকস, ডায়েট সোডা বা চকলেট টফি এমনকি স্বাস্থ্যকর পানীয় যেমন আপেল, অরেঞ্জ জুস এবং কফি আপনার দাঁতের এনামেলকে সহজেই ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে তাই এই জাতীয় খাবার পর দাঁত ব্রাশ করা জরুরী কারণ টক জাতীয় খাবার দাঁতের এনামেলকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে

. ব্রাশ পরিষ্কার রাখুন: আপনি কি দাঁত ব্রাশের পরে ব্রাশটিকে ভালোভাবে ধুয়ে মুছে রাখেন ব্রাশটিকে অবশ্যই পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে রাখতে হবে কারণ আপনার মুখের ভিতরের খাদ্যকণা, ময়লা কিন্তু ব্রাশের সাথেই লেগে থাকে এবং পরের দিন কিন্তু সেই ময়লা বা পঁচা খাদ্যকণা দিয়েই আপনি দাঁত ব্রাশ করছেন সুতরাং আপনার টুথব্রাশটিকেও ভালোভাবে পরিষ্কার করার পরে একটি জীবাণুনাশক ওষুধ দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে রাখবেন তাতে আপনি মাড়িকে দাঁতকে সুস্থ রাখতে বেশী সক্ষম হবেন

. টুথ ব্রাশটিকে কখনোই বাথরুমে রাখবে না: আমরা অনেক সময় টুথব্রাশটিকে বাথরুমে খোলা ভাবেই রেখে দেই যেটা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয় ব্রাশটিকে সবসময় একটি কৌটোর মধ্যে রাখবেন যদি সেটাকে খোলা রাখেন তবে বাথরুমের সকল ধরণের জীবানু আপনার টুথব্রাশে আশ্রয় নিতে পারে যা মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় আবার অন্যদিকে একজনের ব্রাশ আরেকজনের ব্রাশের সাথে একটি কৌটায় কখনো রাখবেন না তাতেও জীবাণু ছড়াতে পারে ব্রাশ সবসময় শুকনো জায়গায় রাখবেন কারণ ভিজে বা পানিযুক্ত ব্রাশে জীবাণু তাড়াতাড়ি আশ্রয় নেয়

১০. কতদিন ব্রাশ ব্যবহার করবেন: আমেরিকান ডেন্টাল এসোসিয়েশন এর মতে, একটি ব্রাশ তিন থেকে চার মাস ব্যবহার করাই নিরাপদ আপনি ব্রাশের শলাকাগুলোর দিকে খেয়াল করুন যখনই শলাকাগুলো নুইয়ে পড়বে বা বাঁকা হয়ে যাবে তখনই ব্রাশটিকে বদলাতে হবে কারণ বাঁকা শলাকার টুথব্রাশ সঠিকভাবে খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে পারে না